|| মুফতি তাকী উসমানী ||
আব্বাজান হযরত মাওলানা মুফতি মুহাম্মাদ শফী রাহ.-এর একটি কথা আমি প্রায়ই বলে থাকি। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পূর্বে ভারতবর্ষে (মুসলিমদের জন্য) বিশেষ তিনটি শিক্ষাধারা প্রচলিত ছিল। ক. দারুল উলুম দেওবন্দভিত্তিক শিক্ষাধারা। খ. আলীগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটি কেন্দ্রিক পড়াশোনা গ. দারুল উলূম নদওয়াতুল উলামার সিলেবাস কেন্দ্রিক শিক্ষাধারা।
যথাসম্ভব ১৯৫০ সনে আব্বাজান রাহ. কোনো সাধারণ এক সমাবেশে বক্তৃতা করতে গিয়ে বলেছিলেন- ‘পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর আমাদের আলীগড়ের শিক্ষাব্যবস্থার প্রয়োজন নেই, নদওয়ারও প্রয়োজন নেই; এমনকি প্রয়োজন নেই দারুল উলূম দেওবন্দের শিক্ষাব্যবস্থারও; বরং আমাদের প্রয়োজন একটি তৃতীয় শিক্ষাব্যবস্থা, যা আসলাফ ও পূর্বসূরীদের ইতিহাসের ধারায় আমাদেরকে সম্পৃক্ত করবে।’
এমন কথা শুনে অনেকেই হয়ত ভ্রু কুঁচকে ফেলবেন। দারুল উলুম দেওবন্দের নুন খাওয়া এক সুবোধ সন্তান, দারুল উলূম দেওবন্দের আস্থাভাজন প্রধান মুফতি কীভাবে এমন কথা বলতে পারেন যে, পাকিস্তানে আমাদের জন্য দেওবন্দের শিক্ষাধারারও প্রয়োজন নেই। আমাদের প্রয়োজন একটি নতুন শিক্ষাব্যবস্থার!
আব্বাজান রাহ.-এর এ বক্তব্যটি অত্যন্ত সূক্ষ্ম এবং দূà