মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
দুর্নীতি ও অদক্ষতার কারণেই প্রধান শহরগুলো ডুবছে: পীর সাহেব চরমোনাই উচ্চারণ ও উপস্থাপনা কোর্সে ১০০ জন মাদরাসা শিক্ষার্থী পাবেন বিশেষ স্কলারশিপ মসজিদে নববিতে বিশেষ দারস দেবেন শায়খ আস-সুদাইস বন্যায় এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের খুলনা বিভাগীয় কওমি মাদরাসা পরিষদের নেতৃত্বে মাওলানা মুশতাক ও নাসীরুল্লাহ বন্যার পানিতে ডুবে পটিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থীর মৃত্যু মডেল মসজিদ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ বাংলাদেশি হাজিদের খরচ কমাতে সৌদি আরবের সহযোগিতা কামনা জলাবদ্ধতা ও স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণে ছুটি বাড়ল জামেয়া দারুল মাআরিফের ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩২৭

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু ২১ এপ্রিল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষা আগামী ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হবে। ওই সময়ের জন্য পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এবং আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার।

প্রকাশিত সূচিতে দেখা গেছে, আগামী ২১ এপ্রিল বাংলা (আবশ্যিক) প্রথম পত্র দিয়ে পরীক্ষা শুরু হবে। এরপর ২৩ এপ্রিল হবে বাংলা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা। ইংরেজি প্রথম পত্র ও দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা যথাক্রমে অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৬ এপ্রিল ও ২৮ এপ্রিল।

সূচি অনুযায়ী, আগামী ২১ এপ্রিল থেকে তত্ত্বীয় পরীক্ষা শুরু হয়ে ২০ মে শেষ হবে। আর ব্যবহারিক পরীক্ষা ৭ থেকে ১৪ জুনের মধ্যে শেষ করার বাধ্যবাধকতা দেওয়া হয়েছে।

সূচিতে বলা হয়েছে, মূল বিষয়ের পরীক্ষাগুলো সকাল ১০টায় শুরু হবে। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে।

এতে আরও বলা হয়েছে, পরীক্ষা শুরুর অন্তত সাত দিন আগে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে প্রবেশপত্র বিতরণ নিশ্চিত করতে হবে। এ বিষয়ে কোনো জটিলতা তৈরি হলে প্রতিষ্ঠানপ্রধান দায়ী থাকবেন।

গত বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছিল ১০ এপ্রিল। এতে ৩০ হাজার ৮৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১৯ লাখ ৪ হাজার ৮৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। ওই বছর গড় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

এর মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। আর মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ০৯ শতাংশ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে এই হার ছিল ৭৩ দশমিক ৬৩ শতাংশ।

ওই বছর এসএসসি ও সমমানে মোট জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। যদিও তার আগের বছর, অর্থাৎ ২০২৪ সালের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ১ লাখ ৮২ হাজার ১২৯ শিক্ষার্থী।

এমএন/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ