|| আবু সাঈদ ||
‘ডিম আগে না মুরগি আগে’ এ নিয়ে তর্ক-বিতর্ক হয়। তর্কের সুযোগও আছে। তবে ভাষা যে গ্রামারের আগে এটি তর্কাতীত বিষয়। অস্তিত্বের ক্ষেত্রেও যেমন ভাষার অস্তিত্ব গ্রামারের আগে, তেমনি শেখার ক্ষেত্রেও ভাষা আগে শিক্ষণীয় তারপর গ্রামার। ভাষা শেখার এটাই আদর্শ, যৌক্তিত, বিজ্ঞানসম্মত ও পরীক্ষিত তরতিব বা বিন্যাস। এই বিন্যাস মেনে সেই অনুযায়ীই ভাষা শিখতে হয়। অন্যথায় ভাষা শেখাটা কঠিন ও দুর্লভ্য হয়ে ওঠে।
বলা হয়ে থাকে, النحو في الكلام كالملح في الطعام + ومن ليس عنده الطعام لاينفعه الملح ভাষা হলো খাবারতুল্য। আর গ্রামার সেই খাবারের লবণ। খাবার থাকলে তার সাথে লবণ মিশ্রিত হয়ে স্বাদ বাড়ায় খাবারের। যদি খাবারই না থাকে তাহলে লবণের কী কাজ? তেমনি যদি ভাষার শব্দভা-ার জানা থাকে তাহলে ভুলভাল ভাষাকে শুদ্ধ ও শ্রুতিমধুর করে তুলবে গ্রামার। শব্দের অপ্রতুলতা নিয়ে ভাষা শিখতে চাওয়া কেবলই স্বপ্নবিলাস। তাই প্রথমে গুরুত্বের সাথে ভাষা শিখতে হবে। ভাষার উপর চারটি দক্ষতা হাসিল করতে হবে। কথন, শ্রবণ, লিখন ও পঠন দক্ষতা। এরপরই কেবল গ্রামার ও অলংকার শাস্ত্র কাজে আসতে পারে।