মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
হাফ প্যান্ট পরার বিষয়ে ইসলামের নির্দেশনা কী? ‘যারা মসজিদের ক্ষতি করতে চায় তারা নিজেরাই ধ্বংসের মুখে পতিত হয়’ ইমামকে হেনস্তা ও জোরপূর্বক পদত্যাগ করানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন মিসরে মুফতি ওয়াজেদ আলীকে সংবর্ধনা, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সন্তানদের সন্দেহজনক ওয়েবসাইট থেকে দূরে রাখতে বললেন সৌদি গ্র্যান্ড মুফতি শুক্রবার বাজারে আসছে শায়খ আহমাদুল্লাহর নতুন বই বিকেএম রাজবাড়ী জেলা শাখার মাসিক নির্বাহী বৈঠক অনুষ্ঠিত চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস রোধে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ: পীর সাহেব চরমোনাই মক্কায় নতুন সড়ক চালু, ওমরাহযাত্রীদের যাতায়াতে সময় কমবে ৯০ শতাংশের বেশি ঠাকুরগাঁও-১ আসনে হাতপাখার প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ

উত্তেজনা নিরসনে পাক-ভারত ফোনালাপ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

india_pakistanআওয়ার ইসলাম: কাশ্মীর ইস্যুতে চলমান উত্তেজনা নিরসনে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ফোনালাপ হয়েছে।

ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোবাল ও পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা নাজির জানুয়ার মধ্যে এ ফোনালাপ হয় বলে সোমবার খবর দিয়েছে ভারতের এনডিটিভি।

এই দুই নিরাপত্তা উপদেষ্টা নিয়ন্ত্রণ রেখায় চলমান উত্তেজনা নিরসনে একমত হয়েছেন বলে বার্তাসংস্থা এএনআইকে জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা সারতাজ আজিজ।

তিনি বলেন, 'নিয়ন্ত্রণ রেখায় উত্তেজনা নিরসন করে কাশ্মিরে মনোযোগ দিতে চায় পাকিস্তান।'

গত ১৮ সেপ্টেম্বর কাশ্মীরের উরিতে ১৮ সেনা নিহতের ঘটনায় পরমাণু শক্তিধর এই দু'দেশের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়।

পরে জবাব হিসেবে ভারত পাকিস্তানের ভেতরে ঢুকে সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের মাধ্যমে দুই সেনাসহ অন্ততঃ ৪০ 'জঙ্গি' হত্যার দাবি করে। যদিও সে দাবি নাকচ করেছে পাকিস্তান।

এরই মধ্যে রোববার রাতে ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের বারমুলা সেনা ক্যাম্পে সন্ত্রাসী হামলায় এক বিএসএফ জওয়ান ও দুই হামলাকারী নিহত হয়।

এরপর ভারত-পাকিস্তান সীমান্তরেখা লাইন অব কন্ট্রোলের (এলওসি) ইসতিখারাবাদ সেক্টরে রোববার মধ্যরাতে দু'দেশের সেনাদের মধ্যে গুলি বিনিমিয়ের ঘটনা ঘটে।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কাশ্মীর ইস্যুতে সৃষ্ট উত্তেজনা নিরসনে দেশ দু'টিকে আহ্বান জানিয়ে আসছে।

এ পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল রোববার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, 'ভারত ভূমির জন্য ক্ষুধার্ত নয়। আমরা কখনও কোনো দেশে আক্রমণ করিনি।'

আরআর