মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮


’চলছে হত্যাযজ্ঞ; কোথাও ঠাঁই নেই রোহিঙ্গাদের’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আকবর হোসেন

ruhinga

কক্সবাজারের কুতুপালংয়ে একটি শরণার্থী শিবিরে দশ বছর ধরে বসবাস করছেন মোহাম্মদ নূর। তার জন্ম ও বেড়ে ওঠা মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশের মংডুর উত্তরাঞ্চলীয় একটি গ্রামে।

তার মা ও বোন এখনও সেখানে থাকেন। গত সাত দিন ধরে মা-বোনের সাথে কোন যোগাযোগ নেই মি. নূরের।

খুবই উদ্বিগ্ন তিনি। রাখাইনে সেনা অভিযানের যেসব খবরাখবর তিনি পাচ্ছেন, তাতে উদ্বিগ্ন হবারই কথা।

তাদের বাংলাদেশে নিয়ে এলেই তো পারেন?

এমন প্রশ্নের জবাবে মি. নূরের বক্তব্য, কিভাবে আনবো? বর্ডারের যে অবস্থা? গত দুই বছরে আমাদের ক্যাম্পে নতুন করে একজন রোহিঙ্গাও আসেনি। স্থানীয় টানের ভাঙ্গা ভাঙ্গা বাংলায় বলছিলেন মোহাম্মদ নূর।

কিন্তু গত ৯ই অক্টোবর থেকে রাখাইনে যে সেনা অভিযান চলছে, তারপর থেকে বহু রোহিঙ্গা মুসলমান প্রাণভয়ে এলাকা ছেড়ে পালাচ্ছে, এমন খবর গত ক'দিন ধরেই আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোতে আসছে।

এদের মধ্যে অনেকেই বাংলাদেশে আসার চেষ্টা করেছে এমন খবরও আছে এবং বাংলাদেশের বর্ডার গার্ড ও সরকারি কর্মকর্তারা বিবিসির কাছে নিশ্চিত করেছেন যে অবৈধভাবে আসা কাউকেই ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না।

 

মিয়ানমারে সংখ্যাগরিষ্ঠ বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীমিয়ানমারে সংখ্যাগরিষ্ঠ বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা প্রায়ই রোহিঙ্গাদের সাথে সংঘাত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আলী হোসেন বলছেন, তারা সীমান্তে নজরদারি আরও জোরদার করেছেন।

বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বাংলাদেশে কোন ধরণের প্রবেশ ঠেকাতেই তারা বদ্ধপরিকর বলে জানালেন।

অবশ্য গত তিন দিন ধরে নাফ নদী দিয়ে নৌকা ভরে বাংলাদেশে আশ্রয়ের জন্য আসা শত শত রোহিঙ্গাকে 'পুশব্যাক' করার খবর বিভিন্ন গণমাধ্যম দিলেও, টেকনাফে বিজিবির একজন কর্মকর্তা একদিন আগেই বিবিসির কাছে 'কিছু কিছু অনুপ্রবেশের চেষ্টা প্রতিহত' করার কথা স্বীকার করেন। কিন্তু সেটা কী পরিমাণ, তাদের সংখ্যা কত - তা স্পষ্ট নয়।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন নিয়ে কাজ করে এরকম একটি সংস্থার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা বিবিসিকে বলেছেন, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সাথে যে সীà