মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮


মেয়ে জামাইদের নির্যাতনে মানবেতর জীবনযাপন করছে পাবনার ব্যাংক কর্মকর্তা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: পাবনার এক অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা চার মেয়ে ও জামাইদের দ্বারা নির্যাতনের শিকার হয়ে মানবেতর দিন কাটাচ্ছে।

তার জীবদ্দশায় মেয়েদের নামে নিজ নামীয় বসতবাড়ি ও পৈত্রিক বাড়িসহ ফসলী জমি দলিল করে দিলে এখন বাকী সম্পত্তি যা আছে তাও নিয়ে তাকে নি:স্ব করে বসত বাড়ি থেকে বিতাড়িত করে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠানোর ষড়যত্র করছে। এমনকি তার লাইসেন্স করা একটি ২.২ বোর রাইফেল হস্তগত করে ফেরত দিতে অস্বীকার করছে মেয়ে ও জামাইরা।

শুধু তাই নয় সম্পত্তি পাওয়ার জন্য মেয়ে ও জামাইরা তাকে নানাভাবে চাপ প্রয়োগ, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রাণনাশের হুমকিসহ মিথ্যা অপবাদ দিয়ে ফাঁসানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে। নিরুপায় ব্যাংক কর্মকর্তা ন্যায় বিচার পাওয়ার আশায় আইনের আশ্রয় গ্রহণের কথা উল্লেখ করে সাংবাদিকদের কাছে এসব অভিযোগ করেন।

পাবনা থানায় তার দায়ের করা জিডি ও মৌখিক বিবরণে জানা গেছে, পাবনা শহরের রাধানগর পি.আই রোডস্থ মৃত- মকিম উদ্দিন খানের ছেলে জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপক (অব:) আলহাজ্ব মোঃ ছোরওয়ার হোসেন ওরফে সারওয়ার (৭৩) ২০০১ সালে জনতা ব্যাংক লিঃ পাবনা হতে অবসর গ্রহণ করেন।

তিনি পাঁচ কন্যার জনক। তার স্ত্রী মাহমুদা বেগম সরকারি এডওয়ার্ড কলেজে শরীরচর্চা শিক্ষিকা পদে কর্মরত থেকে অবসর গ্রহণের পর অসুস্থতার কারণে ২০১৫ সালের ৭মার্চ ইন্তেকাল করেন। তখন থেকে তিনি একা হয়ে যান।

তার পাঁচ কন্যা শিক্ষিতা এবং সবাই বিবাহিতা। তারা ঢাকা ও দেশের বাইরে স্বামীর সাথে সংসার করেন। জামাইদের মধ্যে একজন সেনাবাহিনীর মেজর ছিলেন, একজন ইঞ্জিনিয়ার, একজন ডাক্তার এবং বাকীরা দেশের বাইরে থাকেন।

স্ত্রী মারা গেলে ছোরওয়ার হোসেন রাধানগর পি.আই রোডের বাড়িতে নিঃস্বঙ্গ অবস্থায় দিন কাটান। অসুস্থ্য হলে তাকে দেখার কেউ নেই। জামাই মেয়ের আভিযত্যের মধ্যে ভালো সেবা যত্ন পাওয়া তার পক্ষে সম্ভব নয়। তাই ছোরওয়ার হোসেন শেষ জীবনে নিজের বসত বাড়িতে একটু স্বস্থিতে শান্তিতে সেবা পাওয়ার আশায় গত ৬-৮-২০১৭ ইং একজন বিধবা ভদ্র ও শিক্ষিতা মেয়েকে দ্বিতীয় বিবাহ করেন।

বিবাহের খবর পেয়ে মেয়েরা তার বাড়িতে এসে দ্বিতীয় স্ত্রীকে তালাক দিতে পিতার উপর শুরু করে চাপ ও মানসিক নির্যাতন। মেয়েদের একটাই দাবী সৎ মাকে মেনে নেবে না তারা। কিন্তু পিতা মেয়েদের এসব দাবী না মেনে বৃদ্ধ বয়সে কে à