মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮


প্রসঙ্গ : হজ্জ ও উমরাহ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

শাইখুল হাদিস মুফতি মনসূরুল হক
প্রধান মুফতী ও শাইখুল হাদীস, জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া

ইহরাম প্রসঙ্গ: অনেককে দেখা যায় অজ্ঞতা কিংবা অসাবধানতাবশত ইহরামের কাপড় বড় লাগেজে দিয়ে দেয়। ফলে ইহরামের কাপড় সাথে না থাকায় তারা বিমানবন্দরে বা মীকাত অতিক্রম করার আগে ইহরাম বাঁধে না। যদ্দরুণ তাদের উপর ‘দম’ ওয়াজিব হয়ে যায়।

তারা মনে করে ইহরামের কাপড় ছাড়া ইহরাম বাঁধা যায় না, অথচ ইহরাম সহীহ হওয়ার জন্য ইহরামের কাপড় পরিধান করা কোনো শর্ত নয়; বরং ইহরামের জন্য অত্যাবশ্যকীয় বিষয় কেবল দু’টি:

এক. উমরাহ বা হজের নিয়ত করা। দুই. তালবিয়া পড়া। হ্যাঁ, এটা ঠিক যে, ইহরাম অবস্থায় শরীরের গঠনে কাপড় পরিধান করা নিষেধ।

কাজেই যারা এ ধরনের সমস্যায় পড়বে, তারা সাধারণ কাপড় পরিহিত অবস্থায় বিমান, মীকাত অতিক্রম করার ঘোষণা দেয়ার পূর্বমূহুর্তে উমরার নিয়ত করে তালবিয়া পড়ে নিবে। এর দ্বারাই ইহরাম হয়ে যাবে। তারপর জেদ্দা বিমানবন্দরে লাগেজ হাতে পাওয়ার পর সাধারণ পোশাক খুলে ইহরামের সেলাইবিহীন লেবাস পরে নিবে।

বিমানে ইহরাম বাঁধার পর জিদ্দায় অবতরণপূর্বক লাগেজ হাতে পেয়ে পরিহিত সেলাইযুক্ত কাপড় খুলে ফেলতে যতটুকু সময় অতিবাহিত হয়, তাতে দম ওয়াজিব হবে না। কেননা, ইহরাম বাঁধার পর বার ঘণ্টার কম সময় সাধারণ সেলাইকৃত কাপড়ে থাকলে দম ওয়াজিব হয় না। (রদ্দুল মুহতার ৩/৫৭৭ যাকারিয়া)

ঢাকা থেকে সরাসরি মক্কাগামী হাজীদের বিমান সাধারণত জিদ্দায় অবতরণের ২০-২৫ মি. আগে মীকাত অতিক্রম করে থাকে। অনেক বিমানে ঘোষণাও করা হয় যে, বিমান আর দশমিনিট পর মীকাত অতিক্রম করবে। এটাই ইহরাম ছাড়া মীকাত অতিক্রম করার দম থেকে বাঁচার শেষ সময়। তখনও যদি কেউ ইহরাম বেঁধে নেয় তাহলে তাকে দম দিতে হবে না।

সফর প্রসঙ্গ

১. মনে রাখতে হবে যে, বিমানের মধ্যে এবং লাগেজ হাতে পাওয়ার আগ পর্যন্ত যে-সব জিনিস প্রয়োজন হবে (যেমন: গামছা, জায়নামায, ঔষধ, কিছু শুকনা খাবার ইত্যাদি) সেগুলো নিজের সাথে রাখবে অর্থাৎ হাত ব্যাগে রাখবে। যাতে পথে কোনো অসুবিধা না হয়।

২. জিদ্দায় পৌঁছার পর প্রথমে ইমিগ্রেশন পার হতে হয়। ইমিগ্রেশনের পর সামান্য একটু সামনে এগুলেই সামানপত্র বুঝে নেওয়ার স্থান। কর্তৃপক্ষ বিমান থেকে লাগেজ নামিয়ে সেখানে জমা করতে থাকে। সেখান