সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


‘স্বীকৃতির মাধ্যমে কওমি শিক্ষা ব্যবস্থা যুগোপযোগিতা পেয়েছে’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

দীর্ঘ ত্রিশ বছর সংগ্রামের পর সরকারি স্বীকৃতি পেয়েছে কওমি মাদরাসা। বিষয়টি এখন সবার মুখে মুখে। কিন্তু এই স্বীকৃতি আলোচনার শুরু কোত্থেকে, কী অবদান রাখবে কওমি স্বীকৃতি, দেওবন্দি চিস্তা চেতনার সঙ্গে কতটা যৌক্তিক।

এসব নিয়ে ঢাকা তেজগাঁও রেলওয়ে মাদরাসার শাইখুল হাদিস ও ইসলামি ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক ড. মাওলানা মুশতাক আহমদের সঙ্গে কথা বলেছেন আওয়ার ইসলামের দুই প্রতিবেদক আব্দুল্লাহ আফফান ও ইসমাঈল আযহার।

আওয়ার ইসলাম: কওমি শিক্ষা সনদের স্বীকৃতির জন্য কাদের অবদানকে সবচে উল্লেখযোগ্য হিসেবে আনবেন?

ড. মুশতাক আহমদ: কওমি স্বীকৃতির বিষয়ে আমরা অনেকের অবদান লক্ষ করি। কিন্তু এ বিষয় নিয়ে সর্বপ্রথম যে ব্যক্তি চিন্তা ভাবনা করেন তিনি হলেন মাওলানা আবদুল জাব্বার জাহানাবাদী রহ.।

শুরুতে কওমি মাদরাসার কোন বোর্ড ছিল না। আবদুল জাব্বার জানাহাবাদীর প্রচেষ্টায় একটি হয়। যার নাম ‘বেফাকুল মাদারিসির আরাবিয়া বাংলাদেশ’। তিনি কওমি স্বীকৃতি নিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তিদের সাথে আলোচনা করেন। বেফাকে গঠনের চূড়ান্ত লক্ষ্যও ছিল স্বীকৃতি।

আওয়ার ইসলাম: আর স্বীকৃতি আন্দোলনে যাদের ভূমিকা বেশি দেখেছেন?

ড. মুশতাক আহমদ: আলেমদের মধ্যে যারা সচেতন, তারা এ ব্যাপারে কাজ করেছেন। পত্র পত্রিকায় যারা লেখালেখিতে সক্রিয় তাদের অবদান অনেক। লেখালেখির কারণে বারবার আলোচনা এসেছে বিষয়টা। প্রশাসনের দৃষ্টি গোচর হয়েছে।

ইতোপূর্বে অনেক আলেম এ বিষয়ে দাবি তুললেও বর্তমান যেসব আলেম লেখালেখিতে সক্রিয় আমি মনে করি তাদের ভূমিকা এখানে বেশি।

আওয়ার ইসলাম: আপনি একজন সিনিয়র আলেম এবং শাইখুল হাদিস। লেখালেখিও করেন। আপনার ভূমিকা কেমন ছিল?

ড. মুশতাক আহমদ: আলহামদুলিল্লাহ স্বীকৃতির কিছু কাজ করার সুযোগ আমার হয়েছে। প্রেস ক্লাবের কয়েকটি বক্তব্যে আমি স্বীকৃতির প্রয়োজনিয়তা তুলে ধরেছিলাম।

ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউটে কওমি মাদরাসা ও কর্মসংস্থান নিয়ে একটি আর্টিকেলে আমি স্বীকৃতির বিষয়টি ফুটিয়ে তুলেছি। স্বীকৃতির শর্তসমূহ সম্পাদনা করাসহ খুটিনাটি অনেক কিছু করেছি।

আর স্বীকৃতির ভেতর এমন কোনো শর্ত জুড়ে দেওয়া হয় কিনা যার দ্বারা আমাদের ক্ষতি হতে পারে এ বিষয়টিও আমি তদারকি করেছি।

আওয়ার ই