মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
হাফ প্যান্ট পরার বিষয়ে ইসলামের নির্দেশনা কী? ‘যারা মসজিদের ক্ষতি করতে চায় তারা নিজেরাই ধ্বংসের মুখে পতিত হয়’ ইমামকে হেনস্তা ও জোরপূর্বক পদত্যাগ করানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন মিসরে মুফতি ওয়াজেদ আলীকে সংবর্ধনা, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সন্তানদের সন্দেহজনক ওয়েবসাইট থেকে দূরে রাখতে বললেন সৌদি গ্র্যান্ড মুফতি শুক্রবার বাজারে আসছে শায়খ আহমাদুল্লাহর নতুন বই বিকেএম রাজবাড়ী জেলা শাখার মাসিক নির্বাহী বৈঠক অনুষ্ঠিত চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস রোধে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ: পীর সাহেব চরমোনাই মক্কায় নতুন সড়ক চালু, ওমরাহযাত্রীদের যাতায়াতে সময় কমবে ৯০ শতাংশের বেশি ঠাকুরগাঁও-১ আসনে হাতপাখার প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ

মালিক বিন দিনার রহ. এর বাড়িতে ভয়ংকর এক চোর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আহমাদ জাকারিয়া>

মালিক বিন দিনার রহ.এর বাড়িতে একদিন এক ভয়ংকর চোর এসেছে। চোর সে-সময়ের সবচেয়ে কুখ্যাত দুর্ধর্ষ চোর হিসেবে খ্যাত ছিলো।

দীর্ঘসময় খোঁজাখুজি করেও মালেক বিন দিনার রহ. এর ঘরে একটি কানা কড়িও পেলো না চোর বাবাজি। এরপর ভালোকরে সামনে তাকিয়ে দেখলো মালিক বিন দিনার জায়নামাজে নামাজ পড়ছেন।

মালেক বিন দিনার সে-সময় সালাম ফিরালেন। দেখলেন, ঘরে কিছু না পেয়ে চোর হাবার মতো দাঁড়িয়ে আছে। মোক্ষম সুযোগ পেয়ে মালিক বিন দিনার চোরকে বললেন-

আমার ঘরে দুনিয়ার ভোগ বিলাসের উপকরণ খুঁজতে এসেছো। কিন্তু কিছুই পেলে না। পাবেও না কিছু। ক্ষণস্থায়ী দুনিয়ার কিছুই যে আমি জমা করিনি।

আচ্ছা তোমার কাছে কি আখেরাতের উপকরণ ও পাথেয় আছে কোনো কিছু? চোর বিস্ময়ে হতবাক হয়ে মালিক বিন দিনারের দিকে তাকিয়ে আছে- লোকটা বলে কী!

মালিক বিন দিনার তার দরদী হৃদয়ের ওয়াজ চালিয়ে গেলেন। এক সময় কুখ্যাত চোরের দু‘চোখ বেয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়তে লাগলো। ফজরের সময় হয়ে গেলো। দু‘জনেই একসঙ্গে মসজিদে নামাজ আদায় করতে চললেন।

মুসল্লিরা দেখে তো হতবাক- এতো ভয়ংকর চোর এতো বড় আলেমের সাথে! তাও আবার মসজিদে নামাজ পড়তে এসেছে! কীভাবে সম্ভব!

মালিক বিন দিনার রহ, ফজর সবাইকে উদ্দেশ্য করে বললেন, সে আমাদের বাসায় চুরি করতে এসেছে।
আমি তার দিল চুরি করে নিয়েছি। তার পরিবর্তন এসেছে।

এজন্যই বলা হয় ( الكلمة الطيبة مفتاح القلوب)
ماسمي القلب قلباً إلا لكثرة تقلب উত্তম কথা দীলের তালার চাবি। আর কলবকে কলব বলা হয় এ কারণে যে, তা অনেক বেশি পরিবর্তনশীল।

লেখক- শিক্ষক, জামিয়া মাদানিয়া রওজাতুল উলূম আলেখারচর বিশ্বরোড, কুমিল্লা

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ