রকিব মুহাম্মদ
আওয়ার ইসলাম
প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ওঠায় আল হাইয়াতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশের অধীনে চলমান দাওরায়ে হাদীসের (তাকমিল জামাত) পরীক্ষা বাতিল করেছে কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে তদন্ত করতে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে কওমি মাদরাসার সর্বোচ্চ এ অথরিটি।
পাঁচ সদস্যের মধ্যে রয়েছেন- তদন্ত কমিটির আহ্বাবায়ক হাইয়াতুল উলইয়ার সদস্য মুফতি রুহুল আমিন, সদস্য মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস, মুফতি মোহাম্মদ আলী, মাওলানা বাহাউদ্দিন জাকারিয়া ও মাওলানা মাহফুজুল হক।
আজ (শনিবার) রাজধানীর সকাল ৭টায় আল হাইয়াতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশের কো চেয়ারম্যান আল্লামা আশরাফ আলীর সভাপতিত্বে ঢাকার মতিঝিলে সংস্থাটির কার্যালয়ে একটি জরুরি বৈঠকে দাওরায়ে হাদীসের প্রশ্নপত্র ফাঁস বিষয়ে তদন্ত করতে এ কমিটি গঠন করে সংস্থাটি।
বৈঠকে দাওরায়ে হাদীসের পরীক্ষা বাতিলেরও সিদ্ধান্ত হয় এবং আগামী ২৩ এপ্রিল থেকে ৩মে পর্যন্ত পরীক্ষা নতুন সময়সূচি ঘোষণা করা হয়।
বৈঠকে উপস্থিত হাইয়াতুল উলইয়ার সদস্য মাওলানা মুসলেহুদ্দিন রাজু জানান, ইতিপূর্বে দাওরায়ে হাদীসের সকল বিষয়ের পরীক্ষা নতুন করে অনুষ্ঠিত হবে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, আল হাইয়াতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশের মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস, আল্লামা নুর হোসাইন কাসেমী, মুফতি রুহুল আমিন, মুফতি আরশাদ রাহমানী, মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস, মাওলানা শামসুদ্দিন জিয়া, মুফতি ফয়জুল্লাহ, মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা সাজিদুর রহমান, মাওলানা বাহাউদ্দিন জাকারিয়া, মুফতি মোহাম্মদ আলী, মুফতি এনামুল হক, মুফতি নুরুল আমিন, মুফতি জসিমউদ্দিন, মাওলানা নুরুল হুদা ফয়েজী প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, সম্মিলিত শিক্ষাবোর্ড আল হাইয়াতুল উলয়া লিল-জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশ-এর অধীনে কওমি মাদরাসার দাওরায়ে হাদীস পরীক্ষা শুরু হয়। ১৮ এপ্রিল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
৬ টি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে মোট ২৬হাজার ৭শত ২১জন শিক্ষার্থী এ বছর পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। তাদের মধ্যে ছাত্রী সংখ্যা প্রায় ৭ হাজার।
হাইয়াতুল উলইয়ার অধীনে ৬টি শিক্ষা বোর্ড হল- বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ, বেফাকুল মাদারিসিল কওমিয়া গওহরডাঙ্গা বাংলাদেশ, আঞ্জুমানে ইত্তেহাদুল মাদারিস বাংলাদà