মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
হাফ প্যান্ট পরার বিষয়ে ইসলামের নির্দেশনা কী? ‘যারা মসজিদের ক্ষতি করতে চায় তারা নিজেরাই ধ্বংসের মুখে পতিত হয়’ ইমামকে হেনস্তা ও জোরপূর্বক পদত্যাগ করানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন মিসরে মুফতি ওয়াজেদ আলীকে সংবর্ধনা, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সন্তানদের সন্দেহজনক ওয়েবসাইট থেকে দূরে রাখতে বললেন সৌদি গ্র্যান্ড মুফতি শুক্রবার বাজারে আসছে শায়খ আহমাদুল্লাহর নতুন বই বিকেএম রাজবাড়ী জেলা শাখার মাসিক নির্বাহী বৈঠক অনুষ্ঠিত চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস রোধে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ: পীর সাহেব চরমোনাই মক্কায় নতুন সড়ক চালু, ওমরাহযাত্রীদের যাতায়াতে সময় কমবে ৯০ শতাংশের বেশি ঠাকুরগাঁও-১ আসনে হাতপাখার প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ

ফেসবুকে অশ্লীল ট্যাটুর ভিডিও প্রকাশ, গ্রেফতার ১

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: অশ্লীল ভিডিও তৈরি এবং তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ ইন্টারনেটে প্রকাশ করার অভিযোগে মো. তরিকুল ইসলাম বাদশাহ নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকা থেকে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাইবার নিরাপত্তা ও অপরাধ দমন বিভাগ তাকে আটক করে।

পরে পর্নোগ্রাফি আইনে ডিএমপির রমনা থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটিতে গ্রেফতার দেখানো হয় বাদশাহকে। একই মামলায় আসামি করা হয় ভিডিও ধারণে সহায়তা করা এক নারীকে।

বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. নাজমুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ।

পুলিশের সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত বাদশাহ নিজেকে একজন ট্যাটু আর্টিস্ট হিসেবে পরিচয় দিতেন। সম্প্রতি এক নারীর শরীরে ট্যাটু আঁকার একটি আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করেন তিনি। পরবর্তীতে সেই ভিডিও নিজের পরিচালিত ফেসবুক পেজ ও আইডিতে প্রকাশ করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। একই অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হলেও এখনও গ্রেফতার করা যায়নি মামলার অপর আসামি ওই নারীকে।

এ বিষয়ে নাজমুল ইসলাম বলেন, সম্প্রতি ভার্চুয়াল সাইটে এ ভিডিওটি প্রকাশিত হলে তা দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। সেটি আমাদের নজরেও এলে আমরা পদক্ষেপ নিই। ভিডিওটিতে আপত্তিকর অঙ্গভঙ্গির পাশাপাশি কুরুচিপূর্ণ শব্দে কথা বলা হয়েছে। আমরা দ্রুত বাদশাহকে গ্রেফতার করি এবং তার ফেসবুক পেজ, আইডি এবং সেই ভিডিওটিসহ তার মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

তিনি বলেন, ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ায় অনেকেই তা শেয়ার করেন এবং অনলাইনে এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য মন্তব্য করেন। এ ধরনের অশ্লীল অঙ্গভঙ্গিযুক্ত ভিডিও নিঃসন্দেহে নিরাপদ ইন্টারনেটের জন্য হুমকি। তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে রমনা থানায় দায়ের মামলা করা হয়েছে। একইসঙ্গে ওই ভিডিওতে থাকা মেয়েটিকেও এ মামলার অন্যতম আসামি করা হয়েছে। পুলিশ তাকে খুঁজছে।

আরএম/