শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬ ।। ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
মসজিদে নববীর কুরআন শিক্ষক শায়খ কারিম হাসুনার ইন্তেকাল আয়া সোফিয়ায় পুনরায় নামাজ শুরুর ছয় বছর পূর্তিতে এরদোগানের বার্তা ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মারুফ, সেক্রেটারি শরীয়াতুল্লাহ সাভারে চাঁদা দাবির জেরে পুলিশ-সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত চার সমুদ্রবন্দরে দারুল উলুম দেওবন্দে উপস্থিতি ও শৃঙ্খলায় কঠোরতা, নতুন নির্দেশিকা জারি মিরপুরের একটি মসজিদে নেওয়া হবে মুয়াজ্জিন কাম ছানী ইমাম ঢাকায় আসছেন দেওবন্দের মুহতামিম, জেনে নিন ৪ দিনের কর্মসূচি সিলেটে জেলা ও মহানগর নেতাদের সঙ্গে আমিরে মজলিসের মতবিনিময় গণভোটের রায় পাশ কাটানোর চেষ্টা করলে সরকার বিপদে পড়বে: খেলাফত মজলিস

ভাত খেয়েই নিয়ন্ত্রণে থাকবে ডায়াবেটিস!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ এগ্রিকালচার রিসার্চের বিজ্ঞানীরা এমন কিছু ধানের নতুন ভ্যারাইটি আবিষ্কার করেছেন যাদের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স শুধু কমই নয় বরং সেগুলি খাওয়া ডায়াবেটিসের রোগিদের উপকারী।

ডায়াবেটিসের রোগিদের বেশি ভাত খাওয়ায় নিষেধাজ্ঞারয়েছে । তবে এখন থেকে নিশ্চিন্তে ভাত খেতে পারবেন। তবে সেটা পরিমিত ভাবে। এই নতুন প্রকারের ধানগুলি হল ললাট ৫৩.১৭ (GI – 53.17), বিপিটি ৫২০৪ (GI – 51.42), সম্পদ ৫১ (GI – 51), সাম্বা মাশুরি ৫৩(GI -53)।

এই নতুন ধরনের ধান তৈরির জন্য ১৩ টি রাজ্যের কৃষকদের মধ্যে বিতরন করা হবে আগামী খরিফ মরশুমে। এই নতুন ভ্যারাইটিগুলির ভাতের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম হওয়ার দরুন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে। এই নতুন ভ্যারাইটিগুলির কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্সএর মান্যতা দিয়েছে ন্যাশনাল ইনসটিটিউট অফ নিউট্রিশন।

ওয়ার্ড হেল্থ অর্গানাইজেশনের (WHO) এর মতে ভারতে বর্তমানে প্রায় ৬ কোটি ২০ লক্ষ মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। এই সংখ্যা ২০২৫ সালে ৭ কোটিতে পৌঁছাতে পারে, যা পৃথিবীর অন্য দেশগুলির মধ্যে সর্বোচ্চ। প্রসঙ্গত বেশীরভাগ ভারতীয় দানাশস্যের মধ্যে ভাতকেই বেশী পছন্দ করেন। অথচ ভাতের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স ৭০ থেকে ৮০ এর মধ্যে থাকে, যা অন্যান্য দানাশস্যগুলির মধ্যে সবচেয়ে বেশী।

উচ্চ গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (GI) যুক্ত খাবার খাওয়া ডায়াবেটিসের রোগিদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই বিজ্ঞানীরা চালের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (GI) ৫০ এর মধ্যে আনার চেষ্টা করেছেন এবং সেই সমস্ত ভ্যারাইটিগুলি অবশ্যই উচ্চফলনশীল।

ডায়াবেটিস হরমোন সংশ্লিষ্ট রোগ। দেহযন্ত্র অগ্ন্যাশয় যদি যথেষ্ট ইনসুলিন তৈরি করতে না পারে অথবা শরীর যদি উৎপন্ন ইনসুলিন ব্যবহারে ব্যর্থ হয়, তাহলে যে রোগ হয় তা হলো ‘ডায়াবেটিস’ বা ‘বহুমূত্র রোগ’। তখন রক্তে চিনি বা শকর্রার উপস্থিতিজনিত অসামঞ্জস্য দেখা দেয়।

ইনসুলিনের ঘাটতিই হল এ রোগের মূল কথা। অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত হরমোন ইনসুলিন, যার সহায়তায় দেহের কোষগুলো রক্ত থেকে গ্লুকোজকে নিতে সমর্থ হয় এবং একে শক্তির জন্য ব্যবহার করতে পারে। ইনসুলিন উৎপাদন বা ইনসুলিনের কাজ করার ক্ষমতা-এর যেকোনো একটি বা দুটোই যদি না হয়, তাহলে রক্তে বাড়তে থাকে গ্লুকোজ। আর একে নিয়ন্ত্রণ না করা গেলে ঘটে নানা রকম জটিলতা, দেহের টিস্যু ও যন্ত্র বিকল হতে থাকে।

সূত্র: কলকাতা২৪


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ