বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬ ।। ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
দেশের প্রধান রুটে বৈদ্যুতিক ট্রেন চালুর ঘোষণা সরকারের সীমান্তের স্পর্শকাতর এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া দেবে বাংলাদেশ বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ২ লাখ ৮৩ হাজার রোহিঙ্গাকে স্বীকৃতি দিয়েছে মিয়ানমার মাত্র ১৬ দিনে প্রবাসী আয় ১৭২ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার ‘কিশোর গ্যাংয়ের ফেসবুক-টিকটক আইডি সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছে পুুলিশ’ হামের টিকায় গাফিলতি পেলে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রীর আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের বিশেষ ইমাম প্রশিক্ষণ এবার রাজশাহীতে কুরআন, কাবা ও ‘পাই’ (π): এক বিস্ময়কর সংখ্যার ইঙ্গিত দিরাই জামেয়ার মুহতামিম হলেন ড. মাওলানা শুয়াইব আহমদ ময়মনসিংহে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, অতঃপর ডাকাতি

বাবরি মসজিদ ইস্যুতে শুক্রবার বিক্ষোভ করবে হেফাজত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভারতের অযোধ্যায় ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদের জায়গায় রাম মন্দির নির্মাণের প্রতিবাদে আগামী শুক্রবার বাদ জুমা রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রামসহ জেলা সদরে বিক্ষোভ করবে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।

গণমাধ্যমে প্রেরিত এক যৌথ বিবৃতিতে এই কর্মসূচী ঘোষণা করেছেন, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমীর শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী ও মহাসচিব আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরী।

বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, বাবরি মসজিদের জায়গা রাম মন্দির নির্মাণের রায়ে মুসলমানরা ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এই রায়ে উপমহাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, শান্তি -শৃঙ্খলা বিপন্ন করার সুযোগ তৈরি করে দেয়া হয়েছে। মুসলমানদের সাথে হিন্দু সম্প্রদায়ের নতুন করে দাঙ্গা সৃষ্টির রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্রের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। পাঁচ শত বৎসরের ঐতিহ্যবাহী বাবরি মসজিদের স্থানে রামমন্দির নির্মাণের রায়ে বিশ্বের প্রতিটি মুসলমানের হৃদয়ে আঘাত করা হয়েছে।

হেফাজত নেতৃদ্বয় আরো বলেন, ভারতের প্রত্নতাত্বিক জরিপের তথ্য অনুযায়ী এখানে কোন হিন্দু মন্দিরের অস্তিত্ব প্রমাণিত নয়। অথচ রাম জন্মভূমির কল্পিত দাবীকে কেন্দ্র করে মসজিদের জায়গাটি মন্দির নির্মাণের জন্যে দিয়ে দেয়া হলো।

তারা বলেন, ১৫২৯ সালে নির্মিত প্রায় পাঁচশত বছরের পুরোনো ঐতিহাসিক বাবরী মসজিদটি ১৯৯২ সালে ৬ ডিসেম্বর উগ্রবাদী হিন্দুরা ভেঙ্গে ফেলে। মসজিদ ভাঙ্গার পরপরই ভারতে হাজার হাজার মুসলমানকেও হত্যা করা হয়। আজকে ভারতীয় সুপ্রীম কোর্ট ভেঙ্গে ফেলা বাবরী মসজিদের জায়গায় রাম মন্দির নির্মাণের রায় দিয়ে মুসলিম উম্মাহর সাথে হিন্দুস্তানের যুদ্ধ (গজওয়ায়ে হিন্দ) বাঁধানোর আনুষ্টানিক ঘোষণা করা হলো।

তারা বলেন, মুসলিম বিশ্ব ও সকল শান্তিকামী মানুষ মসজিদের জায়গায় মন্দির নির্মাণ কোনভাবই মেনে নেবেনা। মোদী সরকারের জেনে রাখা উচিৎ যে, আদালতের ঘাড়ে বন্ধুক রেখে জোর করে রায় চাপিয়ে দেয়ার পরিণাম শুভ হবে না। মুসলমানরা তাদের ধর্মীয় প্রতীকসমূহ রক্ষায় জীবনবাজি রেখে লড়াই করে যাবে। তবুও মসজিদের জায়গায় মন্দির নির্মাণ করতে দিবে না।

আগামী শুক্রবার বাদজুমা বিক্ষোভ মিছিল সফল করার জন্য হেফাজত নেতৃদ্বয় ওলায়ে কেরাম এবং তৌহিদী জনতার প্রতি আহবান জানান।

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ