বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬ ।। ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
সমঝোতা চুক্তির খসড়া দেখতে চায় ইসরায়েল, প্রত্যাখান যুক্তরাষ্ট্রের এআই প্রযুক্তির ব্যাপক প্রসারে চাকরির বাজারে পতন, ১২ হাজার ডিগ্রি বাতিল চীনে শাপলা হত্যাকাণ্ডে নিজেদের দায় অস্বীকার করল মোজাম্মেল হক বাবু ও ফারজানা রূপা সিলেটে হাম ও নিউমোনিয়ায় ৩ শিশুর মৃত্যু সিলেটে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী, শ্রীমঙ্গলের পথে যাত্রা স্বপ্নে জীবিত দেখে মৃত্যুর ১৮ দিন পর কবর খনন, এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ‘দলীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে ইনসাফভিত্তিক নেতৃত্ব গড়ার সময় এখনই’ বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আগ্রহী জার্মানি  ‘ডিএনসিসি’র হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা: আয়োজক ও প্রতিনিধিদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ৮৪ বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন, ইসরায়েলকে ইরানের হুঁশিয়ারি

৬০টি আবেদনেও নাগরিকত্ব আইন স্থগিত করল না ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের সাংবিধানিক বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ৬০টি আবেদনে সাড়া দিতে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারকে একটি নোটিশ ইস্যু করেছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট।

বুধবার সকালে এক সংক্ষিপ্ত শুনানিতে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন স্থগিত রাখতে অস্বীকার করেছেন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারক প্যানেল। তারা বলছেন, এ আইন স্থগিত রাখা যাবে কিনা, তা পর্যালোচনা করে দেখতে হবে আমাদের।

প্রধানবিচারপতি এস বোবডের নেতৃত্বাধীন প্যানেলে আরও রয়েছেন বিচারপতি বিআর গাভেই ও সুরইয়া কান্ত। শুনানির জন্য আগামী বছরের ২২ জানুয়ারি দিন ঠিক করেছে আদালত।

পিটিশন যারা দাখিল করেছেন তাদের মধ্যে কংগ্রেস, জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ, ইন্ডিয়ান মুসলিম লীগ, তৃণমূল কংগ্রেস, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের সাবেক রাষ্ট্রদূত ও আসামে ক্ষমতাসীন বিজেপির শরিক অসম গণপরিষদও রয়েছে।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের তিন সদস্যের একটি বেঞ্চ আজ এসব পিটিশনের শুনানি করবেন। বেঞ্চে থাকা অপর দুই বিচারপতি হলেন বি আর গাভাই ও সুরিয়া কান্ত। আইনটি পাস হওয়ার পর গত এক সপ্তাহে সুপ্রিম কোর্টে এসব পিটিশন দাখিল হয়।

শুনানিতে আবেদনকারীদের পক্ষে রয়েছেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী কপিল শিবাল। তিনি বলেন, যেহেতু বিধিমালা এখন পর্যন্ত প্রজ্ঞাপন আকারে দেয়া হয়নি, কাজেই এই আইনের বাস্তবায়ন করা উচিত হবে না।

তার বিরোধিতা করেন অ্যাটর্নি জেনারেল কেকে ভেনুগোপাল। তিনি আইনটি স্থগিতের বিরুদ্ধে কথা বলেন।

বিজেপি সরকার সম্প্রতি ১৯৫৫ সালে প্রণীত দেশটির নাগরিকত্ব আইন সংশোধন করে নতুন একটি আইন পাস করেছে। নতুন আইন অনুযায়ী ২০১৫ সালের আগে প্রতিবেশী পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানে ধর্মীয় সংখ্যালঘু হওয়ার কারণে নির্যাতিত হয়ে ভারতে আশ্রয় নেয়া অমুসলিমদের নাগরিকত্ব দেয়া হবে।

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ