বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬ ।। ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রী শ্রীমঙ্গলে পৌঁছানোর আগেই ভেঙে পড়ল প্যান্ডেল সমঝোতা চুক্তির খসড়া দেখতে চায় ইসরায়েল, প্রত্যাখান যুক্তরাষ্ট্রের এআই প্রযুক্তির ব্যাপক প্রসারে চাকরির বাজারে পতন, ১২ হাজার ডিগ্রি বাতিল চীনে শাপলা হত্যাকাণ্ডে নিজেদের দায় অস্বীকার করল মোজাম্মেল হক বাবু ও ফারজানা রূপা সিলেটে হাম ও নিউমোনিয়ায় ৩ শিশুর মৃত্যু সিলেটে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী, শ্রীমঙ্গলের পথে যাত্রা স্বপ্নে জীবিত দেখে মৃত্যুর ১৮ দিন পর কবর খনন, এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ‘দলীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে ইনসাফভিত্তিক নেতৃত্ব গড়ার সময় এখনই’ বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আগ্রহী জার্মানি  ‘ডিএনসিসি’র হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা: আয়োজক ও প্রতিনিধিদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুসলিম সংগঠনকে মিছিলের অনুমতি দিল না পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরোধিতায় অন্যদের মতো পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক দলও সরব। তবে সিএএ কিংবা এনআরসির বিরুদ্ধে পপুলার ফ্রন্ট অব ইন্ডিয়াকে মিছিল করার অনুমতি দেয়নি পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। আর সেই বিতর্কে জড়িয়েছে তৃণমূল সাংসদ আবু তাহের খানের নাম।

পুলিশ গত বৃহস্পতিবার ওই দলটির জানুয়ারির ৫ তারিখ মুর্শিদাবাদে র‍্যালি করার অনুমতি দেয়নি। অনুমতি খারিজের প্রসঙ্গে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পিএফআই যে লিফলেট মানুষের কাছে বিলি করেছে সেখানে তৃণমূল সাংসদ আবু তাহের খানের নাম লেখা আছে।

আবু তাহের খান বলেন, এ বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। তারা যদি পোস্টারে আমার নাম ব্যবহার করে থাকে, আমি তাতে কিছু করতে পারব না। তবে পিএফআই জানিয়েছে, আবু তাহের খান এবং অন্যান্য তৃণমূল নেতারা মিছিলে আসবেন বলে জানিয়েছেন।

উত্তরপ্রদেশ সরকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়কে পিএফআই-কে নিষিদ্ধ ঘোষণার আবেদন জানানোর ঠিক পরের দিনই অনুমতি দিল না পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। চিঠিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, উত্তরপ্রদেশে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে পিএফআই সহিংসতা ছড়ানোর জন্য সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে।

ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানুয়ারির ১ তারিখ যোগি আদিত্যনাথের সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া ওই চিঠি পেয়েছে। সেখানে নিষিদ্ধ ঘোষণার পাশাপাশি বলা হয়েছে, রাজ্য সরকার তাদের নিষিদ্ধ ঘোষণার আগে আইনি মতামত নেওয়া হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পিএফআইয়ের বিগত কার্যকলাপ খতিয়ে দেখার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার, গোয়েন্দা সংস্থা এবং এনআইএ-র সাহায্য নেওয়া হবে। প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গের ১৯টি জেলায় পিএফআই সক্রিয়।

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ