রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
নবীন আলেমদের নিয়ে ‘দাওয়াহ, লেখালেখি ও সাংবাদিকতা’ কর্মশালা ভারতে মুসলিম যুবক হত্যা ও বাংলাদেশ মিশন ঘেরাওয়ের নিন্দা নেজামে ইসলাম পার্টির আস-সুন্নাহ কোর্সের শিক্ষার্থীদের ব্যবসায়ী সাফল্য তুলে ধরলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘ইখলাস ও সুন্নাহর অনুসরণ ছাড়া আমল পূর্ণাঙ্গ হয় না’ ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ২ হাজার ৮৯ সৌদি বাদশাহর আমন্ত্রণে ওমরা পালনে যাচ্ছেন ৩০ বাংলাদেশি হাম-রুবেলা নিয়ন্ত্রণে ইমাম-খতিবদের সহযোগিতা চায় সরকার ৯০ দিন জামাতে নামাজ, ৩২ শিশু-কিশোর পেল বাইসাইকেল ঢাবিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সারিতে নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির অনুতাপে অশ্রু

ইরাক থেকে সেনা কমিয়ে ফেলবো: ডোনাল্ড ট্রাম্প

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

নুরুদ্দিন তাসলিম।।

ইরাকে অবস্থিত মার্কিন সৈন্য কমিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

আল আরাবিয়া নিউজ জানায়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার সন্ধ্যায় এক টুইট বার্তায় বলেন, মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষে বৃহস্পতি বার ইরাকের সাথে যুদ্ধ বিষয়ক একটি ভোট অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে আমরা ইরান থেকে আমাদের সৈন্য সংখ্যা পাঁচ হাজার কমিয়ে এনেছি। সামনে আরো কমিয়ে আনব। রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেটরাও এ ভোটে অংশগ্রহণ করবেন বলে আমি আশাবাদী। সেখানে আমরা ভালো করতে চাই বলেই আমাদের এ পদক্ষেপ।

এর আগে  ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের কোনও পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্ক এসপার। বাগদাদ থেকে যুক্তরাষ্ট্র সেনা প্রত্যাহার করতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে এমন সংবাদ প্রকাশের পর সোমবার গত ডিসেম্বর মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

কিন্তু আজ (৩০ জানুয়ারি) বৃহস্পতিবার মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষে ইরাকে সৈন্যদের শক্তি প্রয়োগ সম্পর্কিত (AUMP) আইনটির অবসান ঘটানোর জন্য ভোট গ্রহণ চলছে।এ আইন ২০০২ সালে প্রয়োগ করা হয়েছিল।এ আইনের উদ্দেশ্য ছিল ২০০৩ সালে ইরাকের বিরুদ্ধে আমেরিকার যুদ্ধকে আইনী বৈধতা দেয়া। সে ভোটে জয় পেতে ট্রাম্প ইরাক থেকে সেনা সরিয়ে নিচ্ছে বলে ধারণা করছে অনেকে।

এদিকে সম্প্রতি ওয়াশিংটন ইরাকের প্রধান মন্ত্রী আদেল আব্দুল মাহদীর দেয়া প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিল, যাতে ইরাকের পার্লামেন্টের চুক্তির পর ইরাক থেকে আমেরিকার সৈন্য প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছিল।

৩ জানুয়ারি বাগদাদ ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে মার্কিন হামলার পর এই দাবী সামনে এসেছে আবরো। হামলায় ইরানের সামরিক কমান্ডার মেজর জেনারেল কাশেম সোলাইমানি, ইরাকি আধা সামরিক হাশেদ আল-শাব্বি বাহিনীর প্রধান আবু মাহদি আল মুহান্দিস নিহত হন।

ইরাকে মার্কিন ঘাটিতে হামলার প্রতিবাদে ট্রাম্প বাগদাদে আর্থিক সহায়তা বন্ধের হুমকি দিয়েছেন। অপরদিকে সিরিয়ায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্টের বিশেষ প্রতিনিধি জেমস ফ্র্যাঙ্কলিন জেফ্রে বলেন, আমরা ইরাক সরকারের সাথে বসে বিশদ আলোচনা করতে চাই। যাতে বাগদাদের সাথে ভবিষ্যতে সুসম্পর্ক বজায় থাকে।

গত বুধবার রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে জেফ্রে আরো বলেন, ভবিষ্যতে ইরাক ও সিরিয়ায় আমেরিকার পক্ষ থেকে ন্যাটোর কার্যক্রম অব্যাহত রাখার সম্ভাবনা রয়েছে।

আল আরাবিয়া থেকে নুরুদ্দিন তাসলিমের অনুবাদ

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ