রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
নবীন আলেমদের নিয়ে ‘দাওয়াহ, লেখালেখি ও সাংবাদিকতা’ কর্মশালা ভারতে মুসলিম যুবক হত্যা ও বাংলাদেশ মিশন ঘেরাওয়ের নিন্দা নেজামে ইসলাম পার্টির আস-সুন্নাহ কোর্সের শিক্ষার্থীদের ব্যবসায়ী সাফল্য তুলে ধরলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘ইখলাস ও সুন্নাহর অনুসরণ ছাড়া আমল পূর্ণাঙ্গ হয় না’ ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ২ হাজার ৮৯ সৌদি বাদশাহর আমন্ত্রণে ওমরা পালনে যাচ্ছেন ৩০ বাংলাদেশি হাম-রুবেলা নিয়ন্ত্রণে ইমাম-খতিবদের সহযোগিতা চায় সরকার ৯০ দিন জামাতে নামাজ, ৩২ শিশু-কিশোর পেল বাইসাইকেল ঢাবিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সারিতে নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির অনুতাপে অশ্রু

কাশ্মীরের সাবেক দুই মুখ্যমন্ত্রীর বন্দিদশার মেয়াদ বাড়ল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম:  ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের (জম্মু-কাশ্মীর) সাবেক দুই মুখ্যমন্ত্রীর গৃহবন্দি থাকার মেয়াদ আরও বাড়িয়েছে নয়াদিল্লী প্রশাসন। বিতর্কিত ‘আটক আইনের’ মাধ্যমে তাদের এই মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, কাশ্মীরের সাবেক দুই মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি ও ওমর আবদুল্লাহ গত ৫ আগস্ট থেকে গৃহবন্দি আছেন। বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) তাদের মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাদের মুক্তি মিলছে না।

কাশ্মীরের এই দুই নেতাকে কবে মুক্তি দেওয়া হবে সে বিষয়ে কিছু জানায়নি ভারত সরকার। তবে বিতর্কিত ‘পাবলিক সেফটি আইন’ অনুযায়ী কোনো অভিযোগ ছাড়াই যে কোনো ব্যক্তিকে ২ বছরের জন্য আটক রাখা যায়।

মেহবুবা মুফতি ও ওমর আবদুল্লাহর বিরুদ্ধেও সেটিই কার্যকর হতে যাচ্ছে। সে হিসাবে আরও অন্তত ২ বছর আটক রাখা হতে পারে এই দুই নেতাকে। ভারত সরকারের এমন পদক্ষেপের বিরুদ্ধে এরই মধ্যে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে।

সমালোচকরা বলছেন, কাশ্মীরের পাবলিক সেফটি আইনটি নিপীড়নমূলক আইন। এই আইনের মাধ্যমে বিজেপি সরকার হাজার হাজার মানবাধিকার কর্মী, স্থানীয় রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে আটকে রেখেছে।

প্রসঙ্গত, গত ৫ আগস্ট জম্মু-কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসন বাতিল করে ভারত সরকার। তখন থেকেই কাশ্মীরের সাবেক দুই মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি ও ওমর আবদুল্লাহকে গৃহবন্দি করে রাখা হয়।

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ