সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৪ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
নবীন আলেমদের নিয়ে ‘দাওয়াহ, লেখালেখি ও সাংবাদিকতা’ কর্মশালা ভারতে মুসলিম যুবক হত্যা ও বাংলাদেশ মিশন ঘেরাওয়ের নিন্দা নেজামে ইসলাম পার্টির আস-সুন্নাহ কোর্সের শিক্ষার্থীদের ব্যবসায়ী সাফল্য তুলে ধরলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘ইখলাস ও সুন্নাহর অনুসরণ ছাড়া আমল পূর্ণাঙ্গ হয় না’ ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ২ হাজার ৮৯ সৌদি বাদশাহর আমন্ত্রণে ওমরা পালনে যাচ্ছেন ৩০ বাংলাদেশি হাম-রুবেলা নিয়ন্ত্রণে ইমাম-খতিবদের সহযোগিতা চায় সরকার ৯০ দিন জামাতে নামাজ, ৩২ শিশু-কিশোর পেল বাইসাইকেল ঢাবিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সারিতে নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির অনুতাপে অশ্রু

‘আসামে মাদরাসা বন্ধের কোনও পরিকল্পনা আপাতত নেই’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: রাজ্য সরকারের এলিমেন্টারি অ্যান্ড সেকেন্ডারি এডুকেশন কমিশনার অ্যান্ড সেক্রেটারি প্রিতম সৈকিয়া বলেন, আপাতত কাগজে-কলমে এমন কোনও প্রস্তাব নেই।

রাজ্যটির মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ইমরান হোসেন বলেন, সংবাদমাধ্যমে আমি শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য দেখেছি। কিন্তু আমাদের কাছে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও যোগাযোগ করা হয়নি।

চেয়ারম্যান জানান, রাজ্যে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় ৭০৬টি মাদরাসা রয়েছে। এসব মাদরাসায় ধর্মতত্ত্ব ও আরবির পাশাপাশি সরকার পরিচালিত স্কুলগুলোর অন্যান্য বিষয়ও পড়ানো হয়।

মাদরাসার পাশাপাশি রাজ্যটিতে শতাধিক সংস্কৃতি টোল বা স্কুল রয়েছে। যেগুলো সংস্কৃত ভাষা আবশ্যক হিসেবে পাঠদান করা হয়।

রাজ্য সরকারের তৃতীয় আরেক কর্মকর্তা শিক্ষামন্ত্রীর প্রস্তাবকে ‘গুজব’ বলে আখ্যায়িত করেছেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আউটলুক ইন্ডিয়া’র খবরে বলা হয়েছে, আসামের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সানোয়ালের মিডিয়া রিলিজেও এমন কোনও পরিকল্পনার কথা উল্লেখ নেই। বুধবার মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক শেষে এটি সাংবাদিকদের পাঠিয়েছেন তিনি।

এর আগে বুধবার আসামের শিক্ষামন্ত্রী ঘোষণা দেন যে, সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত মাদরাসা ও সংস্কৃত স্কুলগুলো সাধারণ উচ্চ বিদ্যালয়ে রূপান্তর করা হবে। তিনি বলেন, আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি কারণ আরবি বা অন্য কোনও ভাষা কিংবা ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়ার দায়িত্ব রাজ্য সরকারের নয়।

হিমান্ত বিশ্বাস জানান, এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে চার থেকে পাঁচ মাস সময় লাগবে। তিনি আরও বলেন, কেউ যদি নিজের অর্থে ধর্মীয় শিক্ষা দিতে চায় তাতে কোনও সমস্যা নাই। কিন্তু সরকারের অর্থ ধর্মীয় শিক্ষায় ব্যয় হতে পারে না। স্কুলে ভগবত গিতা বা বাইবেল পড়ানো যায় না।

ধর্মীয় শিক্ষায় নিয়োজিত শিক্ষকদের অবসরের আগ পর্যন্ত বেতন দেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ