সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৪ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
নবীন আলেমদের নিয়ে ‘দাওয়াহ, লেখালেখি ও সাংবাদিকতা’ কর্মশালা ভারতে মুসলিম যুবক হত্যা ও বাংলাদেশ মিশন ঘেরাওয়ের নিন্দা নেজামে ইসলাম পার্টির আস-সুন্নাহ কোর্সের শিক্ষার্থীদের ব্যবসায়ী সাফল্য তুলে ধরলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘ইখলাস ও সুন্নাহর অনুসরণ ছাড়া আমল পূর্ণাঙ্গ হয় না’ ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ২ হাজার ৮৯ সৌদি বাদশাহর আমন্ত্রণে ওমরা পালনে যাচ্ছেন ৩০ বাংলাদেশি হাম-রুবেলা নিয়ন্ত্রণে ইমাম-খতিবদের সহযোগিতা চায় সরকার ৯০ দিন জামাতে নামাজ, ৩২ শিশু-কিশোর পেল বাইসাইকেল ঢাবিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সারিতে নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির অনুতাপে অশ্রু

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, ভণ্ড পীরের ৩ বছরের কারাদণ্ড

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মুসলিমদের সঙ্গে প্রতারণা ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার মামলায় ঢাকার দোহারের ‘হজবাবা’ ভণ্ড পীর মতিউর রহমানকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তার আট সহযোগীকেও বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার এডিশনাল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক এ এস এম মারুফ হোসেন চৌধুরী এ রায় দেন।

দণ্ডিত অপর আসামিরা হলো- সেন্টু পীর, শুকুর, লিয়াকত, কাজল, জিন্টু, আলমাছ, জুলহাস ও আরিফুল ইসলাম বিদ্যুৎ।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আনোয়ারুল কবীর বাবুল গণমাধ্যমকে বলেন, ভণ্ড পীর মতিউর রহমানকে পৃথক দুই ধারায় তিন বছর ও অপর আসামিদের এক বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। জিন্টু ও আরিফুল ইসলাম পলাতক রয়েছে। বাকি আসামিদের সাজা পরোয়ানা ইস্যু করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত এবং প্রতারণার অভিযোগে মতিউর রহমানসহ নয় জনের বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ৯ অক্টোবর দোহার থানায় মামলাটি দায়ের করেন উপ-পরিদর্শক মুহা. তছলিম উদ্দিন।

বাদীর অভিযোগ, ২০১৬ সালের ৮ অক্টোবর নিউজ২৪ টিভি চ্যানেলে প্রচারিত ‘টিম আন্ডার কভার’ অনুষ্ঠানে দোহারের লটাখোলার ‘ভণ্ড পীর’ মতিউর রহমান তার সঙ্গীসহ প্রতারণার মাধ্যমে মুসলিম নারী ও পুরুষদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে। আসামিরা এলাকার সহজ-সরল নারী ও পুরুষদের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে সাড়ে ৭শ’ করে টাকা নিয়ে পবিত্র হজের ন্যায় প্রতীকী অবস্থার সৃষ্টি করে হজ পালন করায়। ভণ্ডপীর মতিউর রহমান তার সহযোগীদের নিয়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মনে মিথ্যা ভ্রান্ত ধারণা দিয়ে মগজ ধোলাইয়ের মাধ্যমে মুরিদ তৈরি করে নারীদের দিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপ করান।

মামলাটি তদন্ত করে দোহার থানার পুলিশ পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম শেখ ২০১৭ সালের ৩০ জুন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকার এডিশনাল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের রায় ঘোষণার পর আসামিদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ