সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৪ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
নবীন আলেমদের নিয়ে ‘দাওয়াহ, লেখালেখি ও সাংবাদিকতা’ কর্মশালা ভারতে মুসলিম যুবক হত্যা ও বাংলাদেশ মিশন ঘেরাওয়ের নিন্দা নেজামে ইসলাম পার্টির আস-সুন্নাহ কোর্সের শিক্ষার্থীদের ব্যবসায়ী সাফল্য তুলে ধরলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘ইখলাস ও সুন্নাহর অনুসরণ ছাড়া আমল পূর্ণাঙ্গ হয় না’ ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ২ হাজার ৮৯ সৌদি বাদশাহর আমন্ত্রণে ওমরা পালনে যাচ্ছেন ৩০ বাংলাদেশি হাম-রুবেলা নিয়ন্ত্রণে ইমাম-খতিবদের সহযোগিতা চায় সরকার ৯০ দিন জামাতে নামাজ, ৩২ শিশু-কিশোর পেল বাইসাইকেল ঢাবিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সারিতে নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির অনুতাপে অশ্রু

জন্ম সনদ থাকলেও নাগরিকত্বের কাগজপত্র নেই মোদির

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জন্মসূত্রেই দেশটির নাগরিক। এ সংক্রান্ত্র কোনো কাগজপত্র তার নেই। ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর দফতর (পিএমও) এ তথ্য জানিয়েছে।

আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তথ্যের অধিকার আইনে (আরটিআই) মোদির নাগরিকত্ব নিয়ে এক ব্যক্তির প্রশ্নের জবাবে ওই তথ্য জানায় পিএমও অফিস।

প্রতিবেদনটিতে আরো বলা হয়েছে, চলতি বছরের ১৭ জানুয়ারি শুভঙ্কর সরকার নামে এক ব্যক্তি আরটিআই-এর মাধ্যমে জানতে চান, প্রধানমন্ত্রীর নাগরিকত্বের কাগজপত্র রয়েছে কি না। তারই উত্তরে পিএমও-র সচিব প্রবীণ কুমার জানান, ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইনের ৩ ধারা অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী জন্মসূত্রেই ভারতীয়।

উল্লেখ্য, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) নিয়ে ভারতজুড়ে যখন তোলপাড় চলছে, তখন এ ধরনের চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ হলো।

আসাম রাজ্যে জাতীয় নাগরিক পঞ্জি (এনআরসি) তৈরির পরে বহু মানুষ নাগরিকত্ব প্রমাণে ব্যর্থ হয়ে ‘ডিটেনশন’ শিবিরে ঠাঁই পেয়েছেন। প্রশ্ন উঠেছে, এর পরে নাগরিকত্বের নথি চাওয়া হলে আমজনতাও যদি জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের দাবি তোলে, তাহলে কি গ্রাহ্য হবে?

ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এর আগে একাধিকবার জানিয়েছে, ২০১১ ও ২০১৫ সালের জাতীয় জনগণনা পঞ্জি প্রক্রিয়ার পরে দেয়া পরিচয়পত্র যাদের কাছে নেই তারা নাগরিক নন। দেশের মানুষের বড় অংশের কাছেই সেই পরিচয়পত্র নেই।

বিরোধীরা প্রশ্ন তোলেন, তবে বিজেপি কাদের ভোটে জিতল? তার জবাব দেয়নি নরেন্দ্র মোদি সরকার। কয়েক দিন আগে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে সিএএ সমর্থক ও বিরোধীদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে। জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে বিতর্কিত আইনের বিরোধিতাকারীদের বাড়িঘর।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ