সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৪ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
নবীন আলেমদের নিয়ে ‘দাওয়াহ, লেখালেখি ও সাংবাদিকতা’ কর্মশালা ভারতে মুসলিম যুবক হত্যা ও বাংলাদেশ মিশন ঘেরাওয়ের নিন্দা নেজামে ইসলাম পার্টির আস-সুন্নাহ কোর্সের শিক্ষার্থীদের ব্যবসায়ী সাফল্য তুলে ধরলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘ইখলাস ও সুন্নাহর অনুসরণ ছাড়া আমল পূর্ণাঙ্গ হয় না’ ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ২ হাজার ৮৯ সৌদি বাদশাহর আমন্ত্রণে ওমরা পালনে যাচ্ছেন ৩০ বাংলাদেশি হাম-রুবেলা নিয়ন্ত্রণে ইমাম-খতিবদের সহযোগিতা চায় সরকার ৯০ দিন জামাতে নামাজ, ৩২ শিশু-কিশোর পেল বাইসাইকেল ঢাবিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সারিতে নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির অনুতাপে অশ্রু

করোনায় মৃত বোনের লাশ নিয়ে ভাইয়ের আহাজারি, দাফনের কেউ নেই

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৪০ বছর বয়সী থেরেসা ফ্রান্জাসে শনিবার মারা যান। তার মৃত্যুর পরেও তাকে দাফন করতে পারছিলেন না বলে জানান থেরেসার ভাই। কারণ, কেউই করোনার রোগীর দাফনে এগিয়ে আসছিলেন না।

এমনকী হাসপাতালগুলিও বারবার ফিরিয়ে দিচ্ছিল বলে অভিযোগ করেন ওই নারীর ভাই। যার জেরে গত ৩৬ ঘণ্টা ধরে মৃতবোনের দেহ আগলে বসেছিল ভাই। এমনই মর্মান্তিক পরিস্থিতির শিকার ইতালির নাপোলি এলাকার বাসিন্দা লুকা ফ্রা্ঞ্জে।

থেরেসার ভাই লুকা ফেসবুক লাইভে এসে বোনের লা’শ নিয়ে আহাজারি করে সেখানেই পুরো বিষয়টি জানান। লুকা ফেসবুকে এসে কাঁদতে কাঁদতে বলেন, আমার বোন তার বিছানায় মরে পড়ে আছে। আমি জানি না কী করতে হবে। আমি আমার বোনকে তার প্রাপ্য সম্মান দিতে পারছি না। সব প্রতিষ্ঠান আমাদেরকে ত্যাগ করেছে।

আমি প্রত্যেকের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। কিন্তু কেউ আমাকে কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেরেসা ফ্রাঞ্জেসা নামের ওই নারী মৃগীরোগে আক্রান্ত ছিলেন। তবে গত সপ্তাহ পর্যন্ত তিনি সুস্থ ছিলেন। এরপরই তার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ দেখা দেয়।

গত শনিবার সন্ধ্যায় ইতালির তৃতীয় বৃহত্তম শহর নেপলসে নিজ বাড়িতে মা’রা যান তিনি। শহরটি ইতালির দক্ষিণাঞ্চলের সবচেয়ে বড় শহরও বটে। লুকা জানান, তার বোনের করোনা টেস্ট করা হয়েছে মৃ’ত্যুর পর!

লুকার অভিযোগের এই ভিডিও ফেসবুকে পোস্ট করার পরপরই ছড়িয়ে পড়ে। তবে শুধু লুকা এবং তার বোনই নয়, আরো অনেকেই এমন পরিস্থিতির শিকার হচ্ছেন বলে জানিয়েছে ইতালির বেশ কয়েকটি স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম। শেষ পর্যন্ত প্রশাসনিক কর্মীরা করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধী পোশাক পরে এসে লুকা ফ্রা্ঞ্জের বোনের দেহ নিয়ে যায়। কয়েকজনের সাহায্য স্থানীয় একটি কবরখানা সেই দেহ কবর দেন।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ