সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৪ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
নবীন আলেমদের নিয়ে ‘দাওয়াহ, লেখালেখি ও সাংবাদিকতা’ কর্মশালা ভারতে মুসলিম যুবক হত্যা ও বাংলাদেশ মিশন ঘেরাওয়ের নিন্দা নেজামে ইসলাম পার্টির আস-সুন্নাহ কোর্সের শিক্ষার্থীদের ব্যবসায়ী সাফল্য তুলে ধরলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘ইখলাস ও সুন্নাহর অনুসরণ ছাড়া আমল পূর্ণাঙ্গ হয় না’ ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ২ হাজার ৮৯ সৌদি বাদশাহর আমন্ত্রণে ওমরা পালনে যাচ্ছেন ৩০ বাংলাদেশি হাম-রুবেলা নিয়ন্ত্রণে ইমাম-খতিবদের সহযোগিতা চায় সরকার ৯০ দিন জামাতে নামাজ, ৩২ শিশু-কিশোর পেল বাইসাইকেল ঢাবিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সারিতে নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির অনুতাপে অশ্রু

টার্মিনাল-মহাসড়কে চাঁদাবাজি বন্ধে পরিবহন নেতাদের হুঁশিয়ারি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: করোনার এই সংকটে টার্মিনাল ও মহাসড়কে চাঁদাবাজি বন্ধে সরকারের কাছে সহযোগিতা চেয়ে বিবৃতি দিয়েছে সড়ক পরিবহন খাত সংশ্লিষ্ট মালিক ও শ্রমিকদের চারটি শীর্ষ সংগঠন।

গণপরিবহন চালুর ব্যাপারে সরকারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বৃহস্পতিবার যৌথ বিবৃতিতে এ দাবি জানায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন, বাংলাদেশ বাস ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন এবং বাংলাদেশ ট্রাক কাভার্ড ভ্যান মালিক সমিতি।

তাতে বলা হয়, চাঁদাবাজি পরিবহন খাতকে বিশৃঙ্খল করে তুলেছে। তাই গণপরিবহন চালু হলে টার্মিনাল, সড়ক বা অন্য কোথাও থেকে চাঁদা উত্তোলন করা যাবে না। শুধু সরকার অনুমোদিত নিজ নিজ গঠনতন্ত্রের বিধান অনুযায়ী মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের সদস্যদের কাছ থেকে নিজ অফিসে চাঁদা সংগ্রহ করা যাবে।

এদিকে আগামী ৩১ মে থেকে সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে সব ধরনের গণপরিবহন চালুর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মুহা. মোজাম্মেল হক চৌধুরী।

তিনি বলেন, অতীত অভিজ্ঞতা বলে, দেশের গণপরিবহন ব্যবস্থাকে আইন মানানো সবচেয়ে কঠিন কাজ। তাছাড়া দীর্ঘদিন পরিবহন বন্ধ থাকায় নিদারুণ আর্থিক সংকটে আছেন মালিক ও শ্রমিকরা। তাদের বেঁচে থাকার একমাত্র সম্বল এই সেক্টর।

এমন অবস্থায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে তাদের পক্ষে পরিবহন পরিচালনা করা কতটুকু সম্ভব তা নিয়ে শঙ্কা থেকেই যায়। অন্যদিকে বিভিন্ন সড়কে যারা বৈধ-অবৈধ চাঁদাবাজি করেন, তারাও আবার সক্রিয় হয়ে উঠবে। ফলে মালিক, শ্রমিক ও যাত্রী সাধারণের জন্য আরোপিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন পরিচালনা করা কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।

বিবৃতিতে শঙ্কা প্রকাশ করে বলা হয়, গণপরিবহনগুলো সাধারণত দৈনিক ইজারাভিত্তিক পরিচালিত হয়ে থাকে। ফলে মালিক সমিতি, বাস শ্রমিক সংগঠনের নিয়ন্ত্রণের পরিবর্তে নিজ নিজ পরিবহনের শ্রমিকরাই নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন। করোনা সংকটেও এভাবে চললে বেশি যাত্রী তোলা ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের একটি অসম প্রতিযোগিতা তৈরি হতে পারে। তাই করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন পরিচালনার দায়িত্ব সেনাবাহিনীর হাতে দিলেই কেবল সড়কে শৃঙ্খলা ও স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন করা সম্ভব বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ