বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬ ।। ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রী শ্রীমঙ্গলে পৌঁছানোর আগেই ভেঙে পড়ল প্যান্ডেল সমঝোতা চুক্তির খসড়া দেখতে চায় ইসরায়েল, প্রত্যাখান যুক্তরাষ্ট্রের এআই প্রযুক্তির ব্যাপক প্রসারে চাকরির বাজারে পতন, ১২ হাজার ডিগ্রি বাতিল চীনে শাপলা হত্যাকাণ্ডে নিজেদের দায় অস্বীকার করল মোজাম্মেল হক বাবু ও ফারজানা রূপা সিলেটে হাম ও নিউমোনিয়ায় ৩ শিশুর মৃত্যু সিলেটে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী, শ্রীমঙ্গলের পথে যাত্রা স্বপ্নে জীবিত দেখে মৃত্যুর ১৮ দিন পর কবর খনন, এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ‘দলীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে ইনসাফভিত্তিক নেতৃত্ব গড়ার সময় এখনই’ বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আগ্রহী জার্মানি  ‘ডিএনসিসি’র হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা: আয়োজক ও প্রতিনিধিদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মানবমূর্তি বা ভাস্কর্য পৌত্তলিকতার প্রতীক: চরমোনাই পীর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই বলেছেন, মানবমূর্তি বা ভাস্কর্য নিয়ে দেশের শীর্ষ ধর্মীয় নেতাদের বিরুদ্ধে না গিয়ে সরকারকে ৯২ ভাগ মুসলমানের সেন্টিমেন্টকে বুঝার চেষ্টা করা উচিত। মানবমূর্তি বা ভাস্কর্য পৌত্তলিকতার প্রতীক।

আজ মঙ্গলবার চরমোনাই মাদরাসায় বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষের সাথে মতবিনিময়কালে পীর সাহেব চরমোনাই এসব কথা বলেন।

যা ইসলামী সংস্কৃতির বিপরীত। ভাস্কর্যকে কেন্দ্র করে সরকার দলীয় নেতাকমীরা যেভাবে দেশের শীর্ষ ধর্মীয় নেতাদের তুলোধূনা করছে এতে সরকারের মঙ্গল হবে না। দেশের ওলামায়ে কেরাম মানবমূর্তি বা ভাস্কর্য বিষয়ে বিশদ আলোচনার মাধ্যমে তা বুঝানোর চেষ্টা করছেন। পীর সাহেব বলেন, বৃহত্তর জনতার সেন্টিমেন্টকে বুঝতে ব্যর্থ হলে তার খেসারত হয়তো সরকারকে দিতে হতে পারে। দেশের কোন ইসলামী নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে অশ্রদ্ধা ও অসম্মান করেননি। বঙ্গবন্ধু শুধু কোন দল বা গোষ্ঠীর নেতা নন।

স্বাধীনতার স্থপতি হিসেবে তাকে সবাই সম্মান করে। সঠিক পদ্ধতিতে বঙ্গবন্ধুর রূহের মাগফিরাত কামনার অধিকার সবারই আছে। অতএব ভাস্কর্যের নামে বঙ্গবন্ধুর মানবমূর্তির পরিবর্তে আল্লাহর নিরানব্বই নাম খচিত মিনার নির্মাণের দাবি করা যে বঙ্গবন্ধুর অসম্মান নয় বরং তাকে আরো শ্রদ্ধার আসনে বসানো, একথা যারা উপলব্ধি করতে পারে না, তারাই দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে।

শিক্ষা উপ-মন্ত্রী নওফেলসহ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রীসহ শীর্ষ নেতৃবৃন্দ দেশের সম্মানিত ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও তৌহিদী জনতার বিরুদ্ধে ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য দিয়ে দেশের বহত্তর জনগোষ্ঠীর অন্তরে আঘাত করেছেন। এরূপ ধৃস্টতাপূর্ণ বক্তব্যের জন্য দেশবাসীর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থণা করতে হবে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ