বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬ ।। ২ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :

কুষ্টিয়ার এসপি’র বক্তব্য ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও উস্কানীমূলক: ইসলামী আন্দোলন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ইসলামী আন্দোলণ বাংলাদেশ-এর মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ ও যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার এস এম তানভীর আরাফাত বাঘা যতীনের ভাস্কর্য ভাঙচুরের প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত সম্প্রতি এক সভায় ওলামায়ে কেরামকে নিয়ে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

আজ বৃহস্পতিবার আওয়ার ইসলামে পাঠানো এক বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, কুষ্টিয়ার এসপি প্রজাতন্ত্রের একজন কর্মচারী হয়ে যে ভাষায় বক্তব্য দিয়েছেন, তা প্রজাতন্ত্রের আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। নেতৃদ্বয় বলেন, পুলিশ প্রশাসনের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা হয়ে তিনি শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার কথা না বলে সাম্প্রদায়িকতা উস্কে দিয়ে সম্প্রীতি বিনষ্টের ষড়যন্ত্র করেছেন। নেতৃদ্বয় বলেন, কুষ্টিয়ার এসপি এস এম তানভীর আরাফাত জনগণের একটি বিশাল অংশকে যেভাবে ডিক্টেটরের মতো তিনটি অপশন দিয়ে ফরমান যারি করেছেন, তা সুস্পস্টভাবে বাকস্বাধীনতা ও সংবিধানের লঙ্ঘন।

এধরণের বক্তব্য প্রশাসনের কোন কর্মকর্তার হতে পারে না। এধরণের উগ্র ব্যক্তি প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে এখন পর্যন্ত কিভাবে বহাল থাকে, তা আমাদের বোধগম্য নয়। এসপির কথাবার্তায় মনে হয়েছে পুলিশি পোশাকে তিনি একজন সন্ত্রাশী বা উগ্র রাজনীতিবিদ। জনগণের টেক্সের পয়সায় পরিচালিত এমন উগ্র এসপি’র প্রয়োজন আছে বলে দেশবাসী মনে করেন না।

এসপি সাহেব যদি বক্তব্য দিতে চান তাহলে পুলিশের পোশাক ছেড়ে দিয়ে রাজনীতির ময়দানে এসে দেন, তাতে কারো কোন আপত্তি নেই।
তাছাড়া বাঘা যতিনের ভাস্কর্য ভাঙ্গার দায়ে যাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের বিষয়ে কিছু না বলে তিনি কাদের ইঙ্গিতে উদোর পিন্ডি বুদুর ঘারে চাপাতে চেয়েছেন, তা নিয়ে জনমনে ব্যাপক প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, আশাকরি পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ বিষয়টি আমলে নিয়ে কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার (এসপি) এস এম তানভীর আরাফাত-এর বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ নেবেন।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ