সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৪ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
নবীন আলেমদের নিয়ে ‘দাওয়াহ, লেখালেখি ও সাংবাদিকতা’ কর্মশালা ভারতে মুসলিম যুবক হত্যা ও বাংলাদেশ মিশন ঘেরাওয়ের নিন্দা নেজামে ইসলাম পার্টির আস-সুন্নাহ কোর্সের শিক্ষার্থীদের ব্যবসায়ী সাফল্য তুলে ধরলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘ইখলাস ও সুন্নাহর অনুসরণ ছাড়া আমল পূর্ণাঙ্গ হয় না’ ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ২ হাজার ৮৯ সৌদি বাদশাহর আমন্ত্রণে ওমরা পালনে যাচ্ছেন ৩০ বাংলাদেশি হাম-রুবেলা নিয়ন্ত্রণে ইমাম-খতিবদের সহযোগিতা চায় সরকার ৯০ দিন জামাতে নামাজ, ৩২ শিশু-কিশোর পেল বাইসাইকেল ঢাবিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সারিতে নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির অনুতাপে অশ্রু

আগের আর আজকের বাংলাদেশে অনেক পার্থক্য: ট্রুডো

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: বাংলাদেশ নিয়ে স্মৃতিচারণ করে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেছেন, ১৯৮৩ সালে তৎকালীন কানাডার প্রধানমন্ত্রী পিয়েরে ট্রুডোর সঙ্গে আমি বাংলাদেশ সফর করেছিলাম। ওই সময়ের বাংলাদেশের সঙ্গে আজকের নতুন বাংলাদেশের অনেক বড় পার্থক্য। কিছুতেই মেলাতে পারছি না। গত ৫০ বছরে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নতি হয়েছে।

‘এই সময়ে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বেড়েছে, দরিদ্রতা কমেছে, শিক্ষার হার বেড়েছে এবং স্বাস্থ্যসেবার প্রসার ঘটেছে, একইসঙ্গে দেশের জনগণের জন্য অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে।’

বুধবার বিকেলে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে শুরু হয় স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর জাতীয় আয়োজন ‘মুজিব চিরন্তন’। এ আয়োজনের প্রথমদিন সবাইকে সুবর্ণজয়ন্তী এবং বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানিয়ে এক ভিডিও বার্তায় এ কথা বলেন জাস্টিন ট্রুডো।

তিনি বলেন, সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের আমূল রূপান্তর হয়েছে এবং এই এগিয়ে চলার পথে কানাডা অংশীদার হিসেবে আছে। কানাডা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখছে এবং নারীর ক্ষমতায়নসহ বিভিন্ন উন্নয়নে সহায়তা করছে। পাশাপাশি শিশু স্বাস্থ্য ও শিক্ষা এবং যুব সম্প্রদায়ের দক্ষতা বাড়াতে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ কানাডা।

বঙ্গবন্ধুকে ইতিহাসের অনন্য অনুসরণীয় নেতা উল্লেখ করে ট্রুডো বলেন, শেখ মুজিবুর রহমান ভবিষ্যতের স্বপ্ন বাস্তবে পরিণত করতে পেরেছেন, কারণ তিনি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতেন জনগণকে। আজকে আমরা এই উৎসব করতে পারছি শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক একটি দেশ গড়ার স্বপ্নের কারণে। এটি সম্ভব হয়েছে দেশের মানুষের প্রতি তার অফুরন্ত ভালোবাসার জন্য। আমার পিতা পিয়েরে ট্রুডোর সঙ্গে শেখ মুজিবুর রহমানের নিবিড় সম্পর্ক ছিল। ওই সময় থেকে দু’দেশ দৃঢ় সম্পর্ক বজায় রাখছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাষ্ট্রপতি মুহা. আবদুল হামিদ। বক্তব্য রাখেন স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার ঢাকা সফরে আসা মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহাম্মদ সলিহ।

১০ দিনের ‘মুজিব চিরন্তন’ উদ্বোধনী আয়োজনে আরও উপস্থিত ছিলেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, বঙ্গবন্ধুকন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোটবোন শেখ রেহানা, মালদ্বীপের ফার্স্ট লেডি ফাজনা আহমেদ এবং মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ