মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
হাফ প্যান্ট পরার বিষয়ে ইসলামের নির্দেশনা কী? ‘যারা মসজিদের ক্ষতি করতে চায় তারা নিজেরাই ধ্বংসের মুখে পতিত হয়’ ইমামকে হেনস্তা ও জোরপূর্বক পদত্যাগ করানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন মিসরে মুফতি ওয়াজেদ আলীকে সংবর্ধনা, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সন্তানদের সন্দেহজনক ওয়েবসাইট থেকে দূরে রাখতে বললেন সৌদি গ্র্যান্ড মুফতি শুক্রবার বাজারে আসছে শায়খ আহমাদুল্লাহর নতুন বই বিকেএম রাজবাড়ী জেলা শাখার মাসিক নির্বাহী বৈঠক অনুষ্ঠিত চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস রোধে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ: পীর সাহেব চরমোনাই মক্কায় নতুন সড়ক চালু, ওমরাহযাত্রীদের যাতায়াতে সময় কমবে ৯০ শতাংশের বেশি ঠাকুরগাঁও-১ আসনে হাতপাখার প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ

বজ্রপাতে একসঙ্গে ১৯ মহিষের মৃত্যু

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে মেঘনা নদীর তীরবর্তী টুনিরচরে বজ্রপাতে ১৯ মহিষের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার রাতে এ ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মৃত মহিষগুলো উদ্ধার করে মেঘনায় ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন রায়পুরের প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা।।

রায়পুরের দক্ষিণ চরবংশি ইউপির টুনিরচর গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত মহিষের মালিক হলেন, আলী হো‌সেন, জাহাঙ্গীর, দুলাল বোহাদ্দার, ইউসুফ ও বরিশালের জাহাঙ্গীর আখন।

বাথান মালিক দুলাল পোদ্দার জানান, রায়পুরের মেঘনায় জেগে ওঠা টুনিরচরে তারা চারজনসহ অনেকে গত ৩০ বছর বেশি সময় ধরে মহিষ পালন করে আসছেন। ব্যক্তিগত উদ্যোগে সেখানে তারা মাটির কিল্লা (উচুঁ মাটির ভিটে) স্থাপন করেন। জোয়ার এলে চরের মহিষগুলো কিল্লাতে আশ্রয় নেয়। কিন্তু বুধবার রাতে মেঘনার এ চরে বজ্রপাতে বাছুরসহ ১৯টি মহিষ মারা যায়। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১৫ লাখ টাকা। এসব মহিষ উদ্ধার করে সন্ধ্যায় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ও চরের লোকজনের উপস্থিতিতে-মেঘনায় ভাসিয়ে দেয়া হয়েছে।

রায়পুর উপজেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার আতাউর রহমান  বলেন, রায়পুর শহর থেকে বিচ্ছিন্ন দুর্গম ওই চরের বিভিন্ন বাথানে দুই হাজারেরও বেশি মহিষ পালন করা হয়। কিন্তু দুর্যোগে এসব মহিষ রক্ষায় কোনো ব্যবস্থা নেই। মহিষ মালিকরা ব্যক্তিগত উদ্যোগে মাটির কিল্লা স্থাপন করেছেন। ওই মাটির কিল্লা যথেষ্ট নয়।

রায়পুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাবরিন চৌধুরী বলেন, মহিষগুলোর মৃত্যুর বিষয়ে তিনি খোঁজ-খবর রেখেছেন। চরে মাটির কিল্লা স্থাপনের ব্যাপারে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এছাড়া উপজেলা পরিষদ থেকেও কিল্লা নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ