রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬ ।। ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৮ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
নবী-সাহাবি নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য, তোপের মুখে ক্ষমা চাইলেন ‘জামায়াতি’ বিশ্লেষক ১৭ জুন থেকে সারাদেশে নূরানী বোর্ডের ষান্মাসিক জোড় শুরু প্রাথমিকে সংগীত শিক্ষক নিয়োগে মন্ত্রিপরিষদের সম্মতি নেই: শিক্ষামন্ত্রী আদ্-দ্বীনের শিক্ষার্থীদের ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অন্য হাসপাতালে যুক্ত করার নির্দেশ বজ্রপাতে মাদরাসার শিক্ষকসহ মৃত্যু ২ জামিন পেলেন মুফতি আমির হামজা নারীদের জন্য দেড় হাজার শয্যার দুই বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা সরকারের কওমি শিক্ষাধারায় যে সংকট বাড়ছে সৈয়দ জাফর ছাদেক রহ.: মানুষ ও মানবতার আশ্রয় মিরপুরে সাইনবোর্ড লাগাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট ৩ মাদরাসা শিক্ষার্থী

ফাইজারের তৃতীয় ডোজে ১০ গুণ বেশি অ্যান্টিবডি!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: করোনার টিকার দুই ডোজ দিলে যে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়, তৃতীয় ডোজ দিলে তার চেয়ে ৫ থেকে ১০ গুণ বেশি অ্যান্টিবডি তৈরি হয় বলে দাবি করেছে ফাইজার। তাই টিকার তৃতীয় ডোজের অনুমোদন চাইবে বলে ঘোষণা দিয়েছে ফাইজার। বৃহস্পতিবার তারা এই ঘোষণা দিয়েছে।

ফাইজারের তৃতীয় ডোজ টিকা নিয়ে গবেষণা অব্যাহত রয়েছে। জানা গেছে, ফাইজার বায়োএনটেকের টিকার তৃতীয় ডোজ করোনার মূল ভ্যারিয়েন্ট, বেটা ভ্যারিয়েন্ট ও দক্ষিণ আফ্রিকায় শনাক্ত ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে বেশি অ্যান্টিবডি তৈরি করছে।

এর আগে বলা হয়েছিল, করোনার ডেলটা ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে কাজ করে ফাইজারের টিকা। প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, তাদের তৈরি তৃতীয় ডোজও এই ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে কাজ করে। এ ছাড়া এই ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দিতে বিশেষ টিকা তৈরির কাজও চলছে বলে জানিয়েছে তারা। জার্মানিতে সেই টিকা তৈরি হচ্ছে।

ফাইজার ও বায়োএনটেকের পক্ষ থেকে এটাও বলা হয়েছে, ধারণা করা হচ্ছে, টিকার দুই ডোজ নেয়ার পর ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে তৃতীয় ডোজ নেয়ার প্রয়োজন হবে। এর কারণ হিসেবে তারা বলেছে, টিকার দুই ডোজ বা পূর্ণাঙ্গ টিকা নেয়ার পর ছয় মাস পর্যন্ত উচ্চ পর্যায়ের সুরক্ষা পাওয়া যায়। এরপর সময়ের সঙ্গে সঙ্গে টিকার কার্যক্ষমতা কমতে থাকে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ