শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬ ।। ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৪ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল মেক্সিকো, সুনামির সতর্কতা শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ খতিয়ে দেখা হচ্ছে: ভারত উত্তরাঞ্চলের ৫ জেলায় বন্যার শঙ্কা কুরআনের পথে চললেই বদলে যাবে দেশ: আল্লামা সাজ্জাদ নোমানী মসজিদের ভেতরে বিএনপি, বারান্দায় জামায়াতের জুমা আদায়! মাদক প্রতিরোধে চাহিদা ও যোগান—উভয়ই নির্মূল করতে হবে: পীর সাহেব চরমোনাই অপরিকল্পিত নগরায়ণ থেকে নগরবাসীকে মুক্তি দিন: ইসলামী আন্দোলন কওমি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় নিরাপদ পথ নিশ্চিত করুন বিকেএমের স্থায়ী স্বেচ্ছাসেবকদের বিশেষ প্রশিক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত ‘দুর্দিন এলে আবারও মুসলিম লীগের মাওলানা ফজলুর রহমানের সহযোগিতা লাগবে’

ই-অরেঞ্জের চেয়ারম্যান ও এমডির ব্যাংক হিসাব তলব

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: অনলাইন শপিং প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের চেয়ারম্যান সোনিয়া মেহজাবিন ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মাসুকুর রহমানের ব্যাংক হিসাব তলব করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।

বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) ব্যাংকগুলোতে চিঠি দিয়ে তাদের লেনদেনসহ যাবতীয় তথ্য আগামী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে পাঠাতে বলা হয়েছে।

এদিকে, রাজধানীর গুলশানে ই-অরেঞ্জ অনলাইন শপিং প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে ১৩ লাখ টাকার ভ্যাট ফাঁকির প্রমাণ পেয়েছেন ভ্যাট গোয়েন্দারা। এরপর প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার ভ্যাট আইনে মামলা করা হয়েছে।

ভ্যাট নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মইনুল খান জানান, ই-অরেঞ্জের বিরুদ্ধে রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ পেয়ে গত ৮ জুন ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক তানভীর আহমেদের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ই-অরেঞ্জের সত্ত্বাধিকারী সোনিয়া মেহজাবিন ভ্যাট সম্পর্কিত কাগজপত্র উপস্থাপন করেন। এছাড়া প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি করে হিসাব বিবরণী জব্দ করা হয়।

অভিযানে দেখা যায়, ই-অরেঞ্জ অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করলেও প্রাপ্ত কমিশনের ওপর ভ্যাট ঠিকভাবে দেয়নি। একটি নির্দিষ্ট সময়ে ২৪৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকার বেশি সেবা ও পণ্য কিনেছে প্রতিষ্ঠানটি। বিক্রি করেছে ২৪৯ কোটি ৬৩ লাখ টাকার বেশি। ওই বিক্রির ওপর ই-অরেঞ্জ ৩ কোটি ৮৭ লাখ ৯৮ হাজার ৪৯৫ টাকা কমিশন পেয়েছে।

কমিশনের ওপর ৫ শতাংশ হারে ভ্যাটের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৯ লাখ ৩৯ হাজার ৯২৪ টাকা। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি পরিশোধ করেছে মাত্র ৬ লাখ ২৩ হাজার ৭৬৭ টাকা। অনলাইন শপিং প্রতিষ্ঠানটি বিক্রির প্রকৃত তথ্য গোপন করেছে। এতে মোট ১৩ লাখ ১৬ হাজার ১৫৮ টাকার ভ্যাট ফাঁকি হয়েছে।

এ বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মামলার প্রতিবেদন ঢাকা উত্তরের কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কার্যক্রমে আরও নজরদারি ও তদন্ত করার জন্যও অনুরোধ করা হয়েছে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ