সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৪ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
নবীন আলেমদের নিয়ে ‘দাওয়াহ, লেখালেখি ও সাংবাদিকতা’ কর্মশালা ভারতে মুসলিম যুবক হত্যা ও বাংলাদেশ মিশন ঘেরাওয়ের নিন্দা নেজামে ইসলাম পার্টির আস-সুন্নাহ কোর্সের শিক্ষার্থীদের ব্যবসায়ী সাফল্য তুলে ধরলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘ইখলাস ও সুন্নাহর অনুসরণ ছাড়া আমল পূর্ণাঙ্গ হয় না’ ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ২ হাজার ৮৯ সৌদি বাদশাহর আমন্ত্রণে ওমরা পালনে যাচ্ছেন ৩০ বাংলাদেশি হাম-রুবেলা নিয়ন্ত্রণে ইমাম-খতিবদের সহযোগিতা চায় সরকার ৯০ দিন জামাতে নামাজ, ৩২ শিশু-কিশোর পেল বাইসাইকেল ঢাবিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সারিতে নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির অনুতাপে অশ্রু

মিরপুরে বিস্ফোরণে দগ্ধ একজনের মৃত্যু

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: রাজধানীর মিরপুরে গ্যাস লাইন থেকে বিস্ফোরণে ৭ জন দগ্ধের ঘটনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় রিনার (৫০) মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) রাত সোয়া ১০টায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে তার মৃত্যু হয়।

তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. এসএম আইউব হোসেন।

তিনি জানান, রিনার শরীরের ৭০ শতাংশ দগ্ধ ও শ্বাসনালীও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। তাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় আইসিইউতে আরও ৩ জন ও এইচডিইউতে বাকি ৩ জন ভর্তি রয়েছে। আইসিইউতে যারা রয়েছেন তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

এর আগে বুধবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে রাজধানীর মিরপুরে ১১ নম্বর সেকশনের একটি বাসার নিচতলায় গ্যাস রাইজার বিস্ফোরণে শিশুসহ সাতজন দগ্ধ হয়েছে।

রিনা ছাড়া দগ্ধ অন্যরা হলেন- শফিকুল ইসলাম (৩৫), তার সৎ মা রওশনারা বেগম (৭০), রেনু বেগম (৩৫), পাশের ভবনের ভাড়াটিয়া নাজনীন আক্তার (২৫) ও তার মেয়ে নাওশীন তারান্নুম (৫) এবং প্রতিবেশী সুমন (৪০)।

দগ্ধ শফিকুলের ভাই ছেলে রফিকুল ইসলাম জানান, মিরপুর ১১ নম্বর সেকশনের, ১১ নম্বর রোড, সি ব্লক, ৯ নম্বর লাইনের ছয়তলা বাড়িটি তাদের নিজেদের। বাড়ির নিচতলায় তিতাস গ্যাসের লাইন লিকেজ ছিল। দুইদিন আগেও লিকেজ মেরামত করা হয়। কিন্তু বুধবার রাত ১২টার দিকে হঠাৎ বিকট আওয়াজ করে বিস্ফোরণ হয়। এতে তারা দগ্ধ হন। পরে তাদেরকে উদ্ধার করে বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসা হয়েছে।

চিকিৎসকরা জানান, শফিকুলের শরীরে ৮৫ শতাংশ, রিনার ৭০, রওশনারার ৮৫, রেনুর ৩৮, নাজনীনের ২৭, শিশু নাওশীনে ১৫, এবং সুমনের শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়। তাদের মধ্যে ১ম ৩জন ও সুমনকে আইসিইউতে রাখা হয়। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বাকিদেরকে ফিমেইল এইচডিইউতে রাখা হয়েছে।

পল্লবী থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) মো. নাসির উদ্দিন জানান, কয়েকদিন ওই বাড়িতে গ্যাস ছিল না। রাতে লাইনে হঠাৎ গ্যাসের চাপ বেড়ে যায়। এ সময় বাড়ির মালিকসহ নিজেরাই গ্যাস রাইজার পরিষ্কার করছিল। হঠাৎ করে সেটা বিস্ফোরণ হয়ে আগুন ধরে যায়। এতে সাতজন দগ্ধ হয়। পরে ফায়ার সার্ভিস খবর পেয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ