শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬ ।। ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৪ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল মেক্সিকো, সুনামির সতর্কতা শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ খতিয়ে দেখা হচ্ছে: ভারত উত্তরাঞ্চলের ৫ জেলায় বন্যার শঙ্কা কুরআনের পথে চললেই বদলে যাবে দেশ: আল্লামা সাজ্জাদ নোমানী মসজিদের ভেতরে বিএনপি, বারান্দায় জামায়াতের জুমা আদায়! মাদক প্রতিরোধে চাহিদা ও যোগান—উভয়ই নির্মূল করতে হবে: পীর সাহেব চরমোনাই অপরিকল্পিত নগরায়ণ থেকে নগরবাসীকে মুক্তি দিন: ইসলামী আন্দোলন কওমি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় নিরাপদ পথ নিশ্চিত করুন বিকেএমের স্থায়ী স্বেচ্ছাসেবকদের বিশেষ প্রশিক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত ‘দুর্দিন এলে আবারও মুসলিম লীগের মাওলানা ফজলুর রহমানের সহযোগিতা লাগবে’

ভারত টিকা না দিলে টাকা ফেরত দেবে, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আশা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিন কোটি ডোজ টিকা দেওয়ার কথা ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটের। ৭০ লাখ ডোজ দেওয়ার পর অবশিষ্ট টিকা দেওয়ার কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে তারা। ভারতের কাছ থেকে এখনো দুই কোটি ৩০ লাখ ডোজ টিকা পাওনা রয়েছে বাংলাদেশ। এসব টিকার মূল্য বাবদ ৬০০ কোটি টাকার বেশি বাংলাদেশ আগেই পরিশোধ করেছে। টিকা দিতে না পারলে ভারত বাংলাদেশকে টাকা ফেরত দেবে বলে আশা করছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জাহিদ মালেক সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, চুক্তি অনুযায়ী ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট থেকে টিকা পাওয়ার ব্যাপারে আমরা এখনো আশাবাদী। তবে টিকা না পেলে টাকা ফেরত আনা হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ভারতে যে অর্ডার দেওয়া ছিল, তার দুই কোটি ৩০ লাখ টিকা এখনো পাইনি, আমরা এখনো অপেক্ষায় আছি। গত জানুয়ারিতে প্রথম চালানে ৫০ লাখ ডোজ টিকা পেয়েছি। ফেব্রুয়ারিতে ২০ লাখ পাঠানোর পর ভারত সরকার টিকা পাঠানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। আমরা ভারতের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। ভারত আশ্বাস দিয়েছে টিকা দেবে। যতদিন তারা আশ্বাস দেবে, আমরা ততদিন আশায় থাকব।

মেডিকেল কলেজ খুলে দেওয়ার বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর মেডিকেল কলেজ ও মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজ, নার্সিংসহ কয়েকশ প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া করছে দেড় লাখের মতো শিক্ষার্থী। তাদের রোগীর কাছে যেতে হবে। নইলে শিক্ষা অপূর্ণ রয়ে যাবে। শিক্ষার্থীরা পরিপূর্ণ শিক্ষা পাবে না।

আমাদের টেকনিক্যাল কমিটি, ভিসি মহোদয়রা, মন্ত্রণালয়ের সচিব, ডিজিরা, সবার মতামত নিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের ফিজিক্যালি ক্লাস শুরু করা দরকার। না হলে অনেক বড় গ্যাপ পড়ে যাবে। আমরা ইন্টার্ন ডাক্তার পাব না। সে সব চিন্তা করে আমরা প্রথম, দ্বিতীয় ও পঞ্চম বর্ষের ক্লাস সরাসরি নিতে যাচ্ছি।

জাহিদ মালেক বলেন, ইতোমধ্যেই শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের টিকা দিয়েছি। ক্লাসে গেলে মাস্ক পরতে হবে, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। আমরা পর্যায়ক্রমে অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলব।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ