রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
নবীন আলেমদের নিয়ে ‘দাওয়াহ, লেখালেখি ও সাংবাদিকতা’ কর্মশালা ভারতে মুসলিম যুবক হত্যা ও বাংলাদেশ মিশন ঘেরাওয়ের নিন্দা নেজামে ইসলাম পার্টির আস-সুন্নাহ কোর্সের শিক্ষার্থীদের ব্যবসায়ী সাফল্য তুলে ধরলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘ইখলাস ও সুন্নাহর অনুসরণ ছাড়া আমল পূর্ণাঙ্গ হয় না’ ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ২ হাজার ৮৯ সৌদি বাদশাহর আমন্ত্রণে ওমরা পালনে যাচ্ছেন ৩০ বাংলাদেশি হাম-রুবেলা নিয়ন্ত্রণে ইমাম-খতিবদের সহযোগিতা চায় সরকার ৯০ দিন জামাতে নামাজ, ৩২ শিশু-কিশোর পেল বাইসাইকেল ঢাবিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সারিতে নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির অনুতাপে অশ্রু

ধামাকার বিরুদ্ধে ১১৬ কোটি টাকার মানি লন্ডারিং মামলা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ধামাকার বিরুদ্ধে ১১৬ কোটি টাকার মানিলন্ডারিং মামলা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত (সিআইডি)।

আজ বৃহস্পতিবার (০৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বনানী থানায় মামলাটি করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুরে আজম মিয়া।

সরকারের অনুমোদন নিয়ে গত কয়েক বছরে ইচ্ছে মতো অফার দিয়ে আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে অনলাইনভিত্তিক এক ডজনের বেশি প্রতিষ্ঠান। গ্রাহক টানতে দেওয়া হয় হাজার হাজার কোটি টাকার লোকসানি মূল্য ছাড়। আর গ্রাহকরাও অফারে আকৃষ্ট হয়ে পণ্য কিনতে বিনিয়োগ করতে থাকেন বিভিন্ন পরিমাণের অর্থ।

কিন্তু প্রথম পর্যায়ে প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের অবস্থান থেকে যথাযথভাবেই নির্দিষ্ট পণ্য বুঝে দিয়ে চমক লাগান নয়া গ্রাহকদের। কিন্তু এর কয়েক মাস পরই প্রতিষ্ঠানগুলোর অবস্থান পরিষ্কার হয়ে ওঠে গ্রাহকদের কাছে। গ্রাহককে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে ব্যর্থ হওয়ায় শুরু হয় আলোচনা, সমালোচনা, পর্যবেক্ষণ, শেষ পর্যায়ে মামলা।

এরই মধ্যে ইভ্যালী হিসাব তদন্ত চলাকালীন আরেক প্রতিষ্ঠান ই-অনেঞ্জের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের অভিযোগ, আন্দোলনসহ ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ এনে মামলা করে ভুক্তভোগী গ্রাহকরা।

একে একে এমন লোভনীয় অফার দেয়া প্রতিষ্ঠানগুলো যখন আইনের আওতায় আসছে, ঠিক তখনি এমন অস্থিরতার মধ্যে বৃহস্পতিবার ধামাকার বিরুদ্ধে ১১৬ কোটি টাকার মানি লন্ডারিং মামলা করে সিআইডি।

এ বিষয়ে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মো. হুমায়ুন কবির জানান, ৬ জন ব্যক্তি ও তিন জন স্বত্ত্বাধিকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাদের লেনদেনের পরিমাণ প্রায় ৮০০ কোটি টাকা। এরমধ্যে সন্দেহজনক পরিমাণ বেশি। প্রাথমিকভাবে ১১৬ কোটি টাকা লন্ডারিংয়ের তথ্যের ভিত্তিতে মামলা করা হয়েছে।

গত বছরের নভেম্বর থেকে গাড়ি, মোটর সাইকেলসহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রি শুরু করে ধামাকা। ধামাকা তাদের হাজার হাজার গ্রাহককে 'ডাবল টাকা ভাউচার', 'সিগনেচার কার্ডস' এবং মোটা অংকের ছাড়ের মতো আকর্ষণীয় সব অফারের মাধ্যমে প্রতারণা করে আসছিল।

জানা গেছে, ধামাকার মালিক প্রতিষ্ঠান মাইক্রোট্রেড গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইনভেরিয়েন্ট টেলিকম ও মাইক্রোট্রেড ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের অ্যাকাউন্টে টাকার একটা বড় অংশ সরানো হয়েছে। বাকি টাকা যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য দেশে পাঠানো হয়েছে।

২০২০ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২১ সালের আগস্টের মধ্যে ধামাকা শপিংয়ের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ৮০০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। জুলাই মাসে ব্যাংক অ্যাকাউন্টগুলো জব্দের পর কোম্পানির অ্যাকাউন্টে ব্যালেন্স ছিল মাত্র ৯৩ হাজার টাকা।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ