রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
নবীন আলেমদের নিয়ে ‘দাওয়াহ, লেখালেখি ও সাংবাদিকতা’ কর্মশালা ভারতে মুসলিম যুবক হত্যা ও বাংলাদেশ মিশন ঘেরাওয়ের নিন্দা নেজামে ইসলাম পার্টির আস-সুন্নাহ কোর্সের শিক্ষার্থীদের ব্যবসায়ী সাফল্য তুলে ধরলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘ইখলাস ও সুন্নাহর অনুসরণ ছাড়া আমল পূর্ণাঙ্গ হয় না’ ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ২ হাজার ৮৯ সৌদি বাদশাহর আমন্ত্রণে ওমরা পালনে যাচ্ছেন ৩০ বাংলাদেশি হাম-রুবেলা নিয়ন্ত্রণে ইমাম-খতিবদের সহযোগিতা চায় সরকার ৯০ দিন জামাতে নামাজ, ৩২ শিশু-কিশোর পেল বাইসাইকেল ঢাবিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সারিতে নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির অনুতাপে অশ্রু

বুয়েট ছাত্র আবরার হত্যা মামলায় ২২ আসামির নির্দোষ দাবি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনে গ্রেফতার ২২ আসামি নিজেদের নির্দোষ দাবি করেছেন। যুক্তিতর্কের জন্য আগামী বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দিন ধার্য করেছেন।

মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টম্বর) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান যুক্তিতর্কের জন্য এ দিন ধার্য করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর আবু আব্দুল্লাহ ভূঁইয়া সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলায় মোট ৪৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে। এর আগে ২৩ আগস্ট ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। ওইদিন কারাগারে থাকা ২২ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়।

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার জেরে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে বুয়েট শেরে বাংলা হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে ডেকে নেন বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। এরপর রাত ৩টার দিকে শেরে বাংলা হলের নিচতলা ও দোতলার সিঁড়ির করিডোর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পরদিন ৭ অক্টোবর দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে আবরার ফাহাদের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। নিহত আবরার বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। শেরেবাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন তিনি।

ওই ঘটনায় নিহতের বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে চকবাজার থানায় ১৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। ২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ওয়াহিদুজ্জামান।

অভিযুক্ত ২৫ জনের মধ্যে ১৯ জন এজাহারভুক্ত ও তদন্ত প্রাপ্ত রয়েছেন আরও ছয়জন। এজাহারভুক্ত ১৯ জনের মধ্যে ১৬ জন ও এজাহারবহির্ভূত ছয়জনের মধ্যে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিদের মধ্যে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন ৮ জন।

গ্রেফতার ২২ জন আসামি হলেন- মেহেদী হাসান রাসেল, মো. অনিক সরকার, ইফতি মোশাররফ সকাল, মো. মেহেদী হাসান রাসেল, মো. মেফতাহুল ইসলাম জিওন, মুনতাসির আলম জেমি, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভির, মো. মুজাহিদুর রহমান, মুহতাসিম ফুয়াদ, মো. মনিরুজ্জামান মনির, মো. আকাশ হোসেন, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, মাজেদুর রহমান, শামীম বিল্লাহ, মোয়াজ আবু হুরায়রা, এ এস এম নাজমুস সাদাত, ইসতিয়াক আহম্মেদ মুন্না, অমিত সাহা, মো. মিজানুর রহমান ওরফে মিজান, শামসুল আরেফিন রাফাত, মোর্শেদ অমত্য ইসলাম ও এস এম মাহমুদ সেতু।

মামলার তিনজন আসামি এখনও পলাতক রয়েছেন। তারা হলেন- মোর্শেদুজ্জামান জিসান, এহতেশামুল রাব্বি তানিম ও মোস্তবা রাফিদ। তাদের মধ্যে প্রথম দুজন এজাহারভুক্ত ও শেষেরজন এজাহারবহির্ভূত আসামি।

১৫ সেপ্টেম্বর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলায় ৬০ জন সাক্ষীর মধ্যে ৪৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ