বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৯ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
ফুটপাত দখলকারীদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে: ডিএনসিসি প্রশাসক ‘বিএনপিকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে চাঁদাবাজ বললে জনগণই বিচার করবে’  মক্কায় রাইড-হেইলিং সেবা চালু করল ইনড্রাইভ ‘প্রতিটি ওয়ার্ডে ছড়িয়ে পড়তে হবে, শরিয়াহর পক্ষে জনমত গড়তে হবে’ মিরপুরে ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানে সংঘর্ষ, তিন গাড়িতে আগুন সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ সরকারের বাড়ল স্বর্ণের দাম নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ১৬৩ খেলাফত মজলিস যুক্তরাজ্য নর্থের নির্বাহী বৈঠক অনুষ্ঠিত বুদ্ধিবৃত্তিক বিচ্যুতি মোকাবিলায় ভারসাম্যপূর্ণ ফতোয়ার ওপর গুরুত্বারোপ মুফতি তাকী উসমানীর

উইঘুর মুসলিমদের লিভার-কিডনি বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: একটি ভালো লিভারের দাম প্রায় দেড় লাখ ডলার (বাংলাদেশি টাকায় ১ কোটি ২৮ লাখের বেশি), আর ভাল মানের কিডনি অবশ্য তার কিছুটা কম।

অস্ট্রেলিয়ার একটি সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক চোরাবাজারে বিক্রি হওয়া এসব অঙ্গপ্রত্যঙ্গের বড় অংশের মালিক চীনের জিনজিয়াং প্রদেশের ক্যাম্পে বন্দি উইঘুর মুসলিমরা।

গতকাল শনিবার (৩০ অক্টোবর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুস্তান টাইমসের একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

উইঘুর মুসলিমদের পাশাপাশি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী তিব্বতি এবং ফালুন গং গোষ্ঠীর বন্দিদের থেকেও জোর করে এমন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে ওই প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, একদলীয় শাসনাধীন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির সরকার বেআইনিভাবে বছরে অন্তত ১০০ কোটি ডলারের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ব্যবসা চালাচ্ছে।

চলতি বছরের শুরুতে কয়েকটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা চিন সরকারদের বিরুদ্ধে উইঘুর, তিব্বতি এবং ফালুন গং বন্দিদের অঙ্গ কেটে বিক্রির অভিযোগ তুলেছিল। জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে।

চিনের বিভিন্ন বন্দি ক্যাম্পে আনুমানিক ২০ লাখ তুর্কিভাষী উইঘুর মুসলিমকে বন্দি করে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের। যৌনাঙ্গে ইলেকট্রিক শক, নিষিদ্ধ ওষুধ প্রয়োগ-সহ বন্দিদের উপর নানা অত্যাচার করা হয় বলে অভিযোগ। রয়েছে নারীদের বন্দিদের ধর্ষণের অভিযোগও।

এর আগে উইঘুর মুসলিমের সম্পদ নিলামে তুলে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। ওই সম্পদের আনুমানিক মূল্য অন্তত ৮৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বলে ধারণা করা হচ্ছে।

চীনা প্রশাসন ২০১৯ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত অন্তত ২১ উইঘুর মুসলিমের সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করেছে বলে তারা জানতে পেরেছে। যার বাজারমূল্য প্রায় ৮৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। স্থানীয় আদালতের মাধ্যমে একটি ই-কমার্স সাইটে নিলাম ডেকে ওই সম্পদ বিক্রি করে দেওয়া।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সাল থেকেই অভিযোগ- উইঘুর ব্যবসায়ীদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করছে চীনা প্রশাসন। দেশটির প্রশাসনের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অভিযোগ- কথিত চরমপন্থা রুখতে প্রায় ৪০ লাখ উইঘুর মুসলিমদের ক্যাম্পে বন্দী করেছে বেইজিং। তবে বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে তারা। চীনা প্রশাসনের দাবি, বন্দী নয়, চরমপন্থারোধে তাদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ