শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬ ।। ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
মসজিদে নববীর কুরআন শিক্ষক শায়খ কারিম হাসুনার ইন্তেকাল আয়া সোফিয়ায় পুনরায় নামাজ শুরুর ছয় বছর পূর্তিতে এরদোগানের বার্তা ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মারুফ, সেক্রেটারি শরীয়াতুল্লাহ সাভারে চাঁদা দাবির জেরে পুলিশ-সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত চার সমুদ্রবন্দরে দারুল উলুম দেওবন্দে উপস্থিতি ও শৃঙ্খলায় কঠোরতা, নতুন নির্দেশিকা জারি মিরপুরের একটি মসজিদে নেওয়া হবে মুয়াজ্জিন কাম ছানী ইমাম ঢাকায় আসছেন দেওবন্দের মুহতামিম, জেনে নিন ৪ দিনের কর্মসূচি সিলেটে জেলা ও মহানগর নেতাদের সঙ্গে আমিরে মজলিসের মতবিনিময় গণভোটের রায় পাশ কাটানোর চেষ্টা করলে সরকার বিপদে পড়বে: খেলাফত মজলিস

একটি ভিত্তিহীন ঘটনা: মুসা আ.-এর সঙ্গে আবেদ ও পাগলের কাহিনী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: মূসা আ. ‘কালীমুল্লাহ’ (যিনি দুনিয়াতে আল্লাহর সাথে কথা বলেছেন) হওয়ায় মূসা আ. ও আল্লাহর কথোপকথন শিরোনামে সমাজে অনেক বানোয়াট কিসসা প্রচলিত হয়েছে। একটি কিসসা হল-

একবার মূসা আলাইহিস সালাম আল্লাহর সাথে কথোপকথনের জন্য যাচ্ছিলেন। পথে আবেদের সাথে দেখা হলে সে বলল, আল্লাহকে জিজ্ঞেস করবেন, আমার জন্য আল্লাহ কোন্ জান্নাত প্রস্তুত রেখেছেন? তারপর দেখা হল, এক পাগলের সাথে। সে বলল, আল্লাহকে জিজ্ঞেস করবেন, আমি কি জাহান্নামে যাব?

আল্লাহকে জিজ্ঞেস করলে আল্লাহ বললেন, আবেদ জাহান্নামে যাবে আর পাগল জান্নাতে যাবে। মূসা আ. বিষয়টি বুঝতে পারলেন না। ফেরার সময় পথিমধ্যে দেখলেন, এক রাখালকে বাঘ তাড়া করেছে তখন রাখাল দৌড়াতে দৌড়াতে একটি বদনার মধ্যে প্রবেশ করল এবং বদনার নল দিয়ে বের হয়ে গেল। তা দেখে বাঘও বদনার মধ্যে প্রবেশ করে কিন্তু সে আর নল দিয়ে বের হতে পারে না।

এরপর পাগলের সাথে দেখা হলে মূসা আ. পাগলকে এ ঘটনা বললেন, তখন পাগল তা বিশ্বাস করল এবং বলল, আল্লাহ চাইলে সবই সম্ভব। তারপর আবেদের সাথে দেখা হলে আবেদকেও মূসা আ. ঐ ঘটনা বললেন। কিন্তু আবেদ তা বিশ্বাস করল না; সে বলল, এমনটি সম্ভব না। এবার মূসা আ. বুঝতে পারলেন- কেন আল্লাহ বলেছেন, আবেদ জাহান্নামে যাবে আর পাগল জান্নাতে যাবে। কারণ, পাগল নবীর কথা বিশ্বাস করেছে, আবেদ করেনি।

নবীর কথা বিশ্বাস করা-না করার বিষয়টি সামনে আনতে এ কিসসার অবতারণা করা হয়। কিন্তু তা একটি বানোয়াট কিসসা।

নবীর কথা বিশ্বাস করা ঈমানের অপরিহার্য অংশ। এটা স্বতঃসিদ্ধ বিষয়। নবীগণ হক এবং তাঁরা সবসময় সত্য বলেন। নবীর দেয়া দৃশ্য-অদৃশ্য সকল খবরই বিশ্বাস করা বাঞ্ছনীয়। কিন্তু এর অর্থ এটা নয় যে, নবীর নামে যে যা-ই বলবে, শুদ্ধাশুদ্ধি যাচাই করা ছাড়াই মানুষকে তা বিশ্বাস করতে হবে। তেমনি নবীর কথা বিশ্বাস করা-না করার বিষয়টি সামনে আনার জন্য এজাতীয় বানোয়াট কিসসার অবতারণা করার প্রয়োজন নেই; ইসলামে বিষয়টি স্বতঃসিদ্ধ এবং কুরআন-হাদীসে বিষয়টি স্পষ্টরূপে বিবৃত হয়েছে। সূত্রে- মাসিক আল কাউসার।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ