আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ব্রিটিশ রাজের সঙ্গে সবধরনের বশ্যতার সম্পর্ক ছিন্ন করে একটি স্বাধীন ও পূর্ণাঙ্গ প্রজাতন্ত্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জের দেশ বারবাডোস। ইংরেজ জাহাজ আসার প্রায় ৪০০ বছর পর ইংরেজ শাসন থেকে নিজেদের পূর্ণ স্বাধীন ঘোষণা করল ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জের দেশটি। যদিও আজ থেকে ৫৫ বছর আগেই স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিল বারবাডোস, তথাপি এতদিন ব্রিটিশ রানীকেই নিজেদের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে মেনে আসছিল। এর আগে তাদের শুধু একজন প্রধানমন্ত্রী ছিল।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) রাতে ব্রিটেনের সঙ্গে সবরকম ঔপনিবেশিক শাসনের সম্পর্ক ছিন্ন করে দেশটি নতুন রিপাবলিক হিসেবে ঘোষিত হয়। রাজধানী ব্রিজটাউনে এ সময় ২১ বার তোপধ্বনি করা হয়।
শহরের জনগণ শেম্বারলেই ব্রিজে জড়ো হয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। ব্রিটিশ সম্রাজ্ঞী দ্বিতীয় এলিজাবেথকে এখন থেকে আর তারা তাদের রানি হিসেবে স্বীকার করবে না। তারা তাদের নিজেদের একজন মানুষকেই দেশের প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।
ঔপনিবেশিকতার অবসান উদযাপনে সম্পূর্ণ বার্বাডিয়ান নৃত্য ও সঙ্গীতের জমকালো প্রদর্শনের পর বার্বাডোস প্রজাতন্ত্র আন্দোলনের নেতা প্রধানমন্ত্রী মিয়া মটলি বার্বাডিয়ান গায়িকা রিহানাকে জাতীয় বীর হিসেবে ঘোষণা করেন।
এ সময় ব্রিটিশ সিংহাসনের পরবর্তী উত্তরাধিকারী প্রিন্স চার্লস উপস্থিত ছিলেন। তার সামনেই রয়াল স্ট্যান্ডার্ড পতাকা নামিয়ে নতুন বারবাডোসের সূচনা ঘোষণা করা হয়।
এ ঘটনার পদাঙ্ক অনুসরণ করে অন্যান্য যেসব দেশে এখনো রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ সম্রাজ্ঞী হিসেবে অধিষ্ঠিত আছেন, সেসব দেশও ব্রিটিশ সাম্রাজ্য থেকে নিজেদের মুক্ত ঘোষণার চেষ্টা করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নতুন বারবাডোসের প্রেসিডেন্ট হিসেবে সান্ড্রা মেসনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মেসন বলেন, ‘এখন সময় এসেছে আমাদের ঔপনিবেশিক অতীতকে পুরোপুরি ছেড়ে আসার। বারবাডিয়ানরা একজন বারবাডিয়ানকেই তাদের রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে দেখতে চায়’।
তবে দেশটি কমনওয়েলথ-এর সদস্য হিসেবে থাকবে। বর্তমানে যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা এবং জ্যামাইকাসহ পৃথিবীর ১৫টি দেশে ব্রিটেনের রানিকে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদের সম্মাননা দেওà