বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ।। ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৪ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
এবারের হজে ৬৪০ কোটি লিটার পানি সরবরাহ করেছে সৌদি আরব ‘বাজেটের পরিধির চেয়ে নিত্য পণ্যের দাম কমার সংবাদ চায় জনগণ’  সরকারের ৫ বছরের মেগা কর্মপরিকল্পনা ‘ভারতে ধর্ম গ্রহণের স্বাধীনতা সবার জন্য সমান হওয়া উচিত’ ‘যোগ্য দায়িত্বশীল হতে প্রয়োজন আদর্শিক ও দক্ষতার উন্নয়ন’ আল আকসার ঐতিহাসিক নিদর্শন সরানোর অপচেষ্টা ইসরাইলের, হামাসের সতর্কবার্তা আর্থিক খাতে রাজনীতি নয়, সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ইলমি সংকট নিরসনে মাদরাসা দায়িত্বশীলদের জন্য কিছু কথা ১৮২ কোটি টাকা ব্যয়ে পুলিশের জন্য গাড়ি কিনছে সরকার দেশে বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি: বাণিজ্যমন্ত্রী

রমজানে দ্রব্যমূল্য: অন্য একটা চিন্তা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

শরীফ মুহাম্মদ।।

রহমত বরকত মাগফিরাত ও সহানুভূতির মাস রমজানুল মোবারক। এ মাসে মুসলিমরা রোজা রাখেন। এবং রহমতের এই মাস থেকে নানাভাবে উপকৃত হওয়ার চেষ্টা করেন। তবে, অমুসলিমরা কিন্তু এ মাসে রোজা রাখেন না। তাদের ধর্ম বিশ্বাস অনুযায়ী এ মাসটি তাদের কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ নয়। তারা শুধু জানেন, মুসলমানদের ইবাদতের, নেকি কামানোর এবং নেক হওয়ার একটি বর্ণাঢ্য মাস এটি।

কিন্তু, জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে দিয়ে তাদের জন্য মাসটিকে আতঙ্কের মাসে পরিণত করছেন কি একশ্রেণীর ব্যবসায়ী? (এখন অবশ্য রমজানের আগে থেকেই জিনিসপত্রের দাম বেশি)। মোবারক মাসটি মুসলমানদের পাশাপাশি প্রতিবেশী অন্যান্য অমুসলিম সম্প্রদায়ের জন্যও হতে পারতো স্বস্তিদায়ক প্রশান্তিময়। শুধু বাজারের পরিস্থিতি গরম করে দিয়ে সেই মাসটিকে অমুসলিমদের কাছে আতঙ্ক ও ভয়ের মাসে পরিণত করে দেওয়ার দায়িত্ব কি একশ্রেণীর মুনাফালোভী ব্যবসায়ী ভাইয়েরা নিবেন?

[রমজানে মুসলমানদের তো সাহরি-ইফতার ইত্যাদির বাধ্যবাধকতা আছে। দাম বেশি কিংবা কম হোক মুসলিমরা জরুরি পণ্যদ্রব্য সংগ্রহ করে থাকেন কিংবা চেষ্টা করেন। কিন্তু অমুসলিমদের তো এ বাধ্যবাধকতা ও পুণ্যধারণা নেই। তারপরও আমাদের একশ্রেণীর ব্যবসায়ী ভাইয়েরা তাদের সামনে রমজান মাসটিকে একটি ভয় ও আতঙ্কের মাস হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছেন!]

এটা কত বড় ভয়ের কথা, আল্লাহ তাআলা আমাদের চিন্তা করার তাওফিক দিন।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ