মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
বাংলাদেশসহ ২০ দেশের ওষুধে শুল্ক ছাড়ের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের রাশিয়ায় আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৪  আল্লাহর নৈকট্য পেতে প্রতিদিন পড়ুন ৮ নফল নামাজ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা: ডা. জাহেদ ‘বাংলাদেশে ১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন এআই-সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানি’ পাঠ্যবইয়ের মান যাচাইয়ে মধ্যরাতে ৬ প্রেসে শিক্ষামন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতায় বিশ্ববাজারে আরও বাড়ল তেলের দাম আল-আকসায় ইসরায়েলি কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা সৌদি আরবের যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে পৃথক আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান

ইউক্রেন যুদ্ধে লাভ অস্ত্র ব্যবসায়ী দেশগুলোর!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: একদিকে রাশিয়া, অন্যদিকে ইউক্রেন। যুদ্ধ চলছে পুরোদমে। বিপুল শক্তিধর রাশিয়ার মোকাবেলায় ইউক্রেনকে বিবিধ অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে সাহায্য করছে আমেরিকা ও তার পশ্চিমী মিত্র দেশরা। কিয়েভ যত বেশি বিদেশী অস্ত্র সাহায্য পাচ্ছে, পাল্লা দিয়ে হামলার তেজ বাড়াচ্ছে মস্কো।

এই দুইয়েরই যোগফল— দিনে দিনে যুদ্ধ আরো রক্তক্ষয়ী, আরো ধ্বংসাত্মক হচ্ছে। যদিও যুদ্ধবিধ্বস্ত বৈশাখে ভরা পৌষ মাস একটি অংশেরই, তারা অস্ত্র ব্যবসায়ী!

যুদ্ধের অবশ্যম্ভাবী প্রভাব, গোটা বিশ্ব জুড়ে মূল্যবৃদ্ধি আকাশ ছোঁয়ার দশা, গরিব মানুষের আরো গরিব, মধ্যবিত্তের প্রান্তিক হওয়ার প্রক্রিয়া তেল দেয়া মেশিনের মতো এগোচ্ছে দিগন্তের পথে। হাজারো ধ্বংসের মধ্যেও ফুলেফেঁপে উঠছে দুনিয়ার তাবড় অস্ত্র ব্যবসায়ীরা।

সাধারণত, আমেরিকাসহ বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে অস্ত্র তৈরি পুরোপুরি বেসরকারি হাতে। তারা যখন অন্যকোনো দেশকে অস্ত্র সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দেয়, তখন শেষ পর্যন্ত লাভ হয় সেই অস্ত্র তৈরি সংস্থাগুলোরই।

২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া ইউক্রেনের উপর ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ নাম দিয়ে হামলা করার পর থেকে এখন পর্যন্ত ৫০ দিন অতিক্রান্ত। এর মধ্যে একা আমেরিকাই এখন পর্যন্ত ২৪০ কোটি ডলারের অস্ত্রশস্ত্র কিভের হাতে তুলে দিয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন দিয়েছে ১৬৩ কোটি ডলারের অস্ত্র।

এ ছাড়া আরো অন্তত ৩০টি দেশ থেকে ইউক্রেনে অস্ত্র ঢুকছে। এবার সম্মিলিত অর্থের পরিমাণের সাপেক্ষে অস্ত্র ব্যবসায়ীদের লাভের হার হিসেব করুন!

বিশ্বের সাম্প্রতিক ইতিহাস বলছে, আমেরিকা সবচেয়ে বড় অস্ত্রশস্ত্রের ক্রেতা। দ্বিতীয় স্থানে রাশিয়া। যদিও তা আমেরিকার এক-তৃতীয়াংশও নয়। ওয়াকিবহাল মহল বলছে, রাশিয়া ইউক্রেন সঙ্কট ঘনীভূত হওয়ার একটি অন্যতম কারণ ২০১৮ সালে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি সিদ্ধান্ত। বিশ্বের সবচেয়ে বড় অস্ত্র প্রস্তুতকারক ‘লকহিড মার্টিন’–এর সাথে চুক্তি অনুযায়ী ট্রাম্প সরকার কিভের হাতে তুলে দেয় জ্যাভেলিন অ্যান্টি ট্যাঙ্ক ক্ষেপণাস্ত্র।

সেই সময়ই পুতিন হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, এর পরিণতি হবে আমেরিকার জন্য দুঃখজনক। তার পর ভোলগা-দানিয়ুব দিয়ে বহু পানি বয়ে গিয়েছে। ২০২২ সালে ফেব্রুয়ারিতে পুরোদস্তুর যুদ্ধ শুরু হয়ে গিয়েছে। তার প্রভাব এসে পড়েছে বিশ্বের করোনা বিধ্বস্ত অর্থনীতিতে। কিন্তু সব হারানোর যুদ্ধে, লাভের কড়ি গুনছে সেই অস্ত্র ব্যবসায়ীরাই।

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ