আতাউর রহমান খসরু।।
মুসলমানের ধর্মীয় উৎসব ঈদ। রাসুলুল্লাহ নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই দিন দুটিকে আনন্দের বলে ঘোষণা করেছেন। ইসলাম ঈদের সময় আনন্দমুখর সময় কাটাতে এবং ভালো খাবার ও পোশাক পরিধানে উৎসাহিত করেছে। তবে ইসলামের দৃষ্টিতে ঈদ নিছক কোনো আনন্দ উৎসব নয়, বরং তা ইবাদতও বটে।
তাই ঈদের আনন্দে চাই মুমিনের সংযম ও সংযত আচরণ।
ঈদের আনন্দে দ্বিনি বৈশিষ্ট্য রক্ষা করা আবশ্যক: ঈদ ধর্মীয় উৎসব। ঈদের ধর্মীয় বৈশিষ্ট্য রক্ষা করার জন্যই মদিনায় ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর সমাজের প্রচলিত উৎসব প্রত্যাখ্যান করে নতুন ধর্মীয় উৎসব প্রবর্তন করা হয়।
আনাস ইবনে মালিক (রা.) বলেন, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) মদিনায় এসে দেখেন মদিনাবাসীরা নির্দিষ্ট দুটি দিনে খেলাধুলা ও আনন্দ করে থাকে। রাসুলুল্লাহ (সা.) জিজ্ঞাসা করলেন, এই দুটি দিন কিসের? সবাই বলল, জাহেলি যুগে আমরা এ দুই দিন খেলাধুলা করতাম।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, মহান আল্লাহ তোমাদের এই দুই দিনের পরিবর্তে উত্তম দুটি দিন দান করেছেন। তা হলো ঈদুল আজহা ও ঈদুল ফিতরের দিন। ’ (সুনানে আবি দাউদ, হাদিস : ১১৩৪)
কেনাকাটায় যে ভুলগুলো হয়:
ঈদের কেনাকাটার সময় এমন কিছু কাজ হয়ে যায় যা শরিয়তের দৃষ্টিতে নিন্দনীয় এবং অবশ্যই পরিহারযোগ্য। যেমন—
১. নামাজ কাজা করা: ঈদের কেনাকাটার জন্য বহু মানুষ নামাজ কাজা করে। এ ব্যাপারে মহান আল্লাহর হুঁশিয়ারি হলো—‘তাদের পরে এলো অপদার্থ পরবর্তীরা, তারা নামাজ নষ্ট করল ও লালসার বশবর্তী হলো। সুতরাং তারা অচিরেই কুকর্মের শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে। ’ (সুরা মারিয়াম, আয়াত : ৫৯)
২. পর্দা লঙ্ঘন: পর্দা ইসলামের ফরজ বিধান। সর্বত্র নারী-পুরুষের পর্দার বিধান মান্য করা আবশ্যক। ঈদের কেনাকাটার সময় অনেকেই পর্দার বিধান রক্ষা করেন না। পবিত্র কোরআনের নির্দেশ হলো—‘মুমিনদের বোলো, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে সংযত করে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হেফাজত করে; এটাই তাদের জন্য উত্তম। তারা যা করে নিশ্চয়ই আল্লাহ সে বিষয়ে সম্যক অবহিত। ’ (সুরা নুর, আয়াত : ৩০)
৩. অর্থের অপচয়: ঈদে সামর্থ্যবান পরিবারগুলো প্রয়োজনের চেয়ে অপ্রয়োজনেই অর্থ বেশি ব্যয় করে। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আত্মীয়-স্বজনকে দেবে তার প্রাপ্য এবং অভাবগ্রস্ত ও মুসাফিরকেও এবà¦