আদিয়াত হাসান: নড়াইলের দিঘলিয়ায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বাড়ি, দোকান ও মন্দির ভাঙচুর এবং আগুন দেওয়ার অভিযোগে ওই এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। যে তরুণের ফেইসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ধর্ম অবমাননার পোস্ট দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে, তার বাবাকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। প্রশাসন জানিয়েছে, ফেইসবুক আইডিটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আইনী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
জানা গেছে, নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার দিঘলিয়ার এক তরুণের ফেইসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ধর্ম অবমাননার পোস্ট দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে কুমড়ী গ্রামে উত্তেজনা শুরু হয়।
এদিকে লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলী আজগর জানান, অভিযুক্ত তরুণ বলেছে, পোস্টটি তার নয়। ফেইসবুক অ্যাকাউন্টটিও আগেরদিন খোলা হয়েছে। এ বিষয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে আইনী পদক্ষেপ নেবে প্রশাসন। এলাকায় মোতায়েন রয়েছে দু’শর বেশি পুলিশ সদস্য।
অপরদিকে নড়াইলে ঘটে যাওয়া ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে সাংসদ মাশরাফি বিন মর্তুজা তার ফেসবুকে লিখেন, সম্মানিত এলাকাবাসী, গতকাল আমাদের এলাকায় এমন একটি ঘটনা ঘটেছে, যা আমাকে ভীষণভাবে মর্মাহত করেছে এবং প্রতিটি মুহূর্তে পোড়াচ্ছে। সবাইকে বিশেষভাবে অনুরোধ করছি, এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্ট হয়, এমন কাজ করা থেকে দয়া করে বিরত থাকুন।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের ফাঁদে পড়ে নড়াইলের হাজার বছরের ঐতিহ্য আর সম্প্রীতির বন্ধনকে এক নিমিষে ম্লান করে দেবেন না। ছেলেবেলা থেকে যে নড়াইলকে দেখে এসেছি, যে নড়াইলকে নিয়ে আমরা গর্ব করি, সেই নড়াইলের সঙ্গে এই নড়াইলকে আমি মেলাতে পারছি না।
ইসলাম শান্তির ধর্ম। আজীবন শান্তি ও সম্প্রীতির দূত ছিলেন আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)। অজ্ঞতা থেকে হোক কিংবা উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে, কেউ যদি মহানবী (সা.)কে নিয়ে কটূক্তি করে থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধে প্রশাসন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। কেউ যদি সত্যিই এমনটি করে থাকে, অভিযোগ প্রমাণিত হলে অবশ্যই তার বিচার হবে।
দেশের আইন আছে, প্রশাসন আছে, তারা ব্যবস্থা নেবেন। কোনো পরিস্থিতিতেই আমরা আইন নিজের হাতে তুলে নিতে পারি না। অভিযোগ যদি সত্যিও হয়, একজনের জন্য গোটা সমাজের নিরপরাধ মানুষদের ওপর অনà§