বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ।। ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৪ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
এবারের হজে ৬৪০ কোটি লিটার পানি সরবরাহ করেছে সৌদি আরব ‘বাজেটের পরিধির চেয়ে নিত্য পণ্যের দাম কমার সংবাদ চায় জনগণ’  সরকারের ৫ বছরের মেগা কর্মপরিকল্পনা ‘ভারতে ধর্ম গ্রহণের স্বাধীনতা সবার জন্য সমান হওয়া উচিত’ ‘যোগ্য দায়িত্বশীল হতে প্রয়োজন আদর্শিক ও দক্ষতার উন্নয়ন’ আল আকসার ঐতিহাসিক নিদর্শন সরানোর অপচেষ্টা ইসরাইলের, হামাসের সতর্কবার্তা আর্থিক খাতে রাজনীতি নয়, সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ইলমি সংকট নিরসনে মাদরাসা দায়িত্বশীলদের জন্য কিছু কথা ১৮২ কোটি টাকা ব্যয়ে পুলিশের জন্য গাড়ি কিনছে সরকার দেশে বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি: বাণিজ্যমন্ত্রী

এ কেমন রোজা?:মুফতি তাকি উসমানি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

শাহিনুর মিয়া রোজা তো -মাশাআল্লাহ- বড় আগ্রহের সাথেই রাখেন। কিন্তু রোজার অর্থ কী? রোজার অর্থ হচ্ছে, খানা-পিনা এবং প্রবৃত্তির চাহিদা পূরণ থেকে বিরত থাকা। রোজার সময় এ তিনটি বিষয় অবশ্যই পরিত্যাগ করতে হয়।

এবার লক্ষ্য করুন! এ তিনটি বিষয় এমন যা মূলত হালাল। খাবার খাওয়া, পানি পান করা এবং বৈধ পদ্ধতিতে স্বামী-স্ত্রী তাদের প্রবৃত্তির চাহিদা পূরণ করা হালাল। রোজার দিন গুলোতে আপনি এসব হালাল বিষয় গুলো থেকে নিজেকে বিরত রাখা। অর্থাৎ- আপনি খাচ্ছেন না, পানও করছেন না ইত্যাদি।

কিন্তু যেগুলো পূর্ব থেকেই হারাম ছিল। যথা- মিথ্যা বলা, গিবত করা, কুদৃষ্টি দেয়া এগুলো পূর্ব থেকেই হারাম ছিল। অথচ এখন রোজাও রাখা হচ্ছে- মিথ্যা কথাও বলা হচ্ছে, গিবতও করা হচ্ছে, কুদৃষ্টিও দেয়া হচ্ছে, রোজাদার অথচ সময় কাটানোর নামে নোংরা ফিল্মও দেখছে।

তাহলে আমার প্রশ্ন, পূর্ব থেকে হালাল বিষয়সমূহও রোজার ভিতর ত্যাগ করা হলো অথচ হারামসমূহ ত্যাগ করা হলো না, তাহলে এটা রোজা হলো কি?

তাই তো হাদীস শরীফে নবি করিম সা: বলেন, ‘আল্লাহ তায়ালা বলেন- যে ব্যক্তি রোজার মধ্যে মিথ্যা কথা ছাড়ে না, তার ক্ষুধার্ত আর পিপাসার্ত থাকায় আমার কোন প্রয়োজন নেই।’ [আল হাদীস]

যেহেতু মিথ্যা কথাই ছাড়েনি যা পূর্ব থেকে হারাম, তবে খানা-পিনা ছেড়ে সে এমন বড় কী আমল করে ফেলল!

সূত্র: ইসলাহী খুতুবাত


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ