রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬ ।। ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১২ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
রাজনৈতিক বিবেচনায় নয়, যোগ্যতার ভিত্তিতেই পদোন্নতি : প্রধানমন্ত্রী ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাবারুদের মজুত কমে যাওয়ায় ইরানে হামলা বন্ধ রেখেছেন ট্রাম্প শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা জানা গেল এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ সৌদিকে বাঁচাতে অভিনব কায়দায় ইরানের সঙ্গে পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের সমঝোতা মাদরাসা শিক্ষার্থীদের প্রমিত উচ্চারণ ও উপস্থাপনা কোর্স চলছে, ব্যাপক সাড়া জেদ্দার জাদুঘরে দেড় হাজার বছরের ইসলামি ঐতিহ্য ইসলামী আন্দোলন পঞ্চগড় জেলা শাখার সম্মেলন অনুষ্ঠিত বিকেএম কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার মজলিসে শূরার অধিবেশন অনুষ্ঠিত আল ওয়াসির হজ ২০২৭ প্রস্তুতি প্রোগ্রাম ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

শাহপরান মাজারে নিষিদ্ধ হলো গান-বাজনা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সিলেটের হযরত শাহপরান (রহ.) মাজারে এখন থেকে আর গান-বাজনা হবে না বলে জানানো হয়েছে। শুক্রবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এক ভিডিও বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মাজারের খাদিম কাবুল আহমদ।

তিনি বলেন, খাদিম পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীকে বলছি, মাজারে ওরস উপলক্ষে গান-বাজনা সম্পূর্ণ বন্ধ ঘোষণা করা হলো। কেউ ঢোল-তবলা নিয়ে আসবেন না। এমনকি প্রতি বৃহস্পতিবার যে গান-বাজনার আয়োজন করা হতো তাও এখন থেকে বন্ধ থাকবে। কেউ যদি করার চেষ্টা করেন তাহলে আমরা তা প্রতিহত করব।

এর আগে, শুক্রবার বাদ জুমা ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও ছাত্র-জনতা মাজারে গান-বাজনা, মাদক সেবনসহ সকল প্রকার অশ্লীল কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা, হযরত শাহপরান (রহ.) মাজারে নাচ-গান, মদ-জুয়া, গাঁজা, অশ্লীল নৃত্যসহ যাবতীয় অসামাজিক-অনৈতিক কার্যকলাপ বন্ধের দাবি জানান।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন বন্দরবাজার কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব মাওলানা মোস্তাক আহমদ, জামিয়া কাজির বাজার মাদ্রাসার মহাদ্দিস শাহ মমশাদ আলী, ৩৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দেলোয়ার হোসেন নাদিম প্রমুখ।

কাউন্সিলর দেলোয়ার হোসেন নাদিম বলেন, মাজারে গান-বাজনা ও অশ্লীলতা বন্ধের বিষয়টি নিয়ে আমরা বৈঠক করেছি। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়েছে, শাহপরান মাজারে গান-বাজনা, মাদক সেবনসহ সকল প্রকার অশ্লীল কার্যক্রম এখন থেকে বন্ধ থাকবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সহযোগিতা করবে। বিষয়টি তদারকি করার জন্য মুসল্লি, ছাত্র-জনতা ও আলেমদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন হবে।

উল্লেখ্য, প্রতিবছর নিয়ম অনুযায়ী ৪, ৫ ও ৬ রবিউল আউয়াল তিন দিনব্যাপী ওরসের আয়োজন করে থাকে মাজার কর্তৃপক্ষ। কর্মসূচির মধ্যে প্রথমদিন খতমে কোরআন, দোয়া ও জিকির এবং মিলাদ মাহফিল। দ্বিতীয় দিন গিলাফ চড়ানো, গরু জবেহ, সারারাত জিকির ও মিলাদ মাহফিল এবং ভোর ৪টায় সূরা ফাতিহা পাঠ। শেষ দিন বাদ ফজর আখেরি মোনাজাতের পর নেওয়াজ বিতরণ করা হয়।

মাজার কর্তৃপক্ষের নির্দিষ্ট কর্মসূচির বাইরে ওরস চলাকালে ভক্ত আশেকানরা জায়গায় জায়গায় সমবেত হয়ে ভক্তিমূলক সংগীতের পাশাপাশি নাচেও অংশ নিয়ে থাকেন। এসব জায়গায় অনৈসলামিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ করে থাকেন অনেকেই

হাআমা/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ