শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬ ।। ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৬ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘জেলা হাসপাতালগুলোকে জনবান্ধব সেবাকেন্দ্র বানাতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার’ ফরিদপুরের ভাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫ বন্যা দুর্গত এলাকায় বিদ্যুৎ সচল রাখতে প্রতিমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনা  ইসলামিক স্টাডিজে গবেষণা পদ্ধতি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠিত খেলাফত মজলিস ঢাকা পূর্ব জোনের ষান্মাসিক জোনাল বৈঠক অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় দফায় শাহজালাল (রহ.) মাজারে টাকা মিলল ৪৭ লাখের বেশি ধর্মমন্ত্রীর তহবিল থেকে মুরাদনগরে ১০ লাখ টাকার অনুদান বিতরণ বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের জরুরি নির্দেশনা বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়ানো ঈমানি ও মানবিক দায়িত্ব: আমিরে মজলিস শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মবহির্ভূত কার্যক্রম বরদাশত করা হবে না: শিক্ষামন্ত্রী

বন্যা দুর্গত এলাকায় বিদ্যুৎ সচল রাখতে প্রতিমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনা 

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

চট্টগ্রামের বন্যা পরিস্থিতিতে দুর্গত এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিশেষ নির্দেশ দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। একই সঙ্গে উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় দ্রুত সেবা পুনর্বহালে জেলা প্রশাসন, বিদ্যুৎ বিভাগ, ফায়ার সার্ভিস ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সঙ্গে বাঁশখালী উপজেলার বন্যাদুর্গত পুকুরিয়া, সাধনপুর, কালীপুর ও বাহাড়ছড়া ইউনিয়ন পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী এসব নির্দেশনা দেন।

পরিদর্শন শেষে বাহাড়ছড়া ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়। এ সময় ২০০ জনের মধ্যে ৫ কেজি চাল, ১ কেজি চিড়া, আধা কেজি মুড়ি, আধা কেজি গুড়, পাঁচটি স্যালাইন, ১ লিটার বিশুদ্ধ পানি, ১ কেজি লবণ, একটি মোমবাতি, এক প্যাকেট বিস্কুট ও এক পাতা প্যারাসিটামল বিতরণ করা হয়। এছাড়া ১০০ জনকে ১০ কেজি করে চাল এবং ২০০ জনকে রান্না করা খাবার দেওয়া হয়।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, জেলায় বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৬ লাখ ৬২ হাজার মানুষের জন্য জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে এ পর্যন্ত ৫৪০ মেট্রিক টন চাল এবং ৪৩ লাখ টাকা বরাদ্দ ও বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ১৭ হাজার ২৫০ প্যাকেট রান্না করা খাবার এবং ৩০ হাজার ৭০০ প্যাকেট শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়েছে।

এদিকে বন্যার কারণে জেলার ১৫টি উপজেলাসহ মহানগরে ৫১৪টি সড়ক এবং ১৭৬টি ব্রিজ-কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিদ্যুৎ লাইনের যেসব অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেগুলো দ্রুত সংস্কার করে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে বিদ্যুৎ বিভাগের প্রকৌশলী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কঠোর নির্দেশনা দেন প্রতিমন্ত্রী। একই সঙ্গে পিডিবি, ফায়ার সার্ভিস ও জেলা প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনায় দুর্গত এলাকায় শতভাগ বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনর্বহাল এবং পর্যাপ্ত ত্রাণ সহায়তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন দিনরাত কাজ করছে। পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

পরিদর্শনকালে চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বিপিএমসহ জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ