বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ।। ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৪ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
আপনি গুলি করলে আমরা কি বসে থাকব: বিএসএফ-কে বিজিবি প্রাথমিকে সংগীত, নাট্যকলা, নৃত্যকলা, চারু ও কারুকলা অন্তর্ভুক্ত করছে সরকার প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী সারাদেশের সীমান্তে প্রতিবাদী সমাবেশ ও শাহবাগে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক ১১ দলের হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু আদ্-দ্বীনের শোকজের জবাবে সন্তুষ্ট নই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শুক্রবার ঢাকায় আসবেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক জুড়তে লেবাননের প্রতি হিজবুল্লাহর আহ্বান ১৭ হাজার ৩৩ কোটি টাকার জ্বালানি তেল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত অনশন অব্যাহত রাখবেন ইবতেদায়ী শিক্ষকরা

কোরআন অবমাননা নিয়ে জাতিসংঘের বৈঠকে আলোচনা করা হবে


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ডেনমার্ক ও সুইডেনের পর এবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে কোরআন অবমাননার ঘটনা ঘটেছে। গত ৮ সেপ্টেম্বর তুরস্কের কূটনৈতিক মিশন তুর্কি হাউসের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনা নিয়ে জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের আসন্ন বৈঠকে আলোচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের প্রধান ভলকার তুর্ক। গতকাল সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) জেনেভায় অনুষ্ঠিত ৫৮তম মানবাধিকার পরিষদের উদ্বোধনী আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

ভলকার তুর্ক বলেন, ‘ঐক্যের বদলে বিশ্ব এখন বিভাজন ও বিভ্রান্তির রাজনীতি প্রত্যক্ষ করছে। সম্প্রতি বিভিন্ন দেশে কোরআন পোড়ানোর ধারাবাহিক ৩০টি ঘটনা ঘটেছে। যা সমাজ ও দেশগুলোর মধ্যে বিভাজন তৈরি করছে। মূলত এসব বিদ্বেষমূলক ধারাবাহিক ঘটনা মেরুকরণের সর্বশেষ বহিঃপ্রকাশ।

আগামী ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিতব্য জাতিসংঘের বৈঠকে রেজোলিউশন ৫৩/১ এর আলোকে তা নিয়ে আলোচনা করা হবে।’ 
গত কয়েক মাসে সুইডেন, ডেনমার্কসহ উত্তর ইউরোপীয় ও নর্ডিক দেশগুলোতে বারবার পবিত্র কোরআনের কপি পোড়ানো হয়। এতে মিসরের আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন (ওআইসি) ও মুসলিম ওয়ার্ল্ড লীগসহ মুসলিম দেশগুলো এ ধরনের কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানায়।

এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গত ১২ জুলাই ধর্মীয় বিদ্বেষ রোধে জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদে (ইউএনএইচআরসি) একটি প্রস্তাব পাস হয়।

সর্বশেষ গত ২৫ জুলাই জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ধর্মীয় গ্রন্থের প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে একটি নিন্দা প্রস্তাব পাস করা হয়। তাতে এ ধরনের ঘৃণ্য কাজকে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের শামিল বলা হয়।

কেএল/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ