বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ।। ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৪ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
আপনি গুলি করলে আমরা কি বসে থাকব: বিএসএফ-কে বিজিবি প্রাথমিকে সংগীত, নাট্যকলা, নৃত্যকলা, চারু ও কারুকলা অন্তর্ভুক্ত করছে সরকার প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী সারাদেশের সীমান্তে প্রতিবাদী সমাবেশ ও শাহবাগে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক ১১ দলের হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু আদ্-দ্বীনের শোকজের জবাবে সন্তুষ্ট নই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শুক্রবার ঢাকায় আসবেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক জুড়তে লেবাননের প্রতি হিজবুল্লাহর আহ্বান ১৭ হাজার ৩৩ কোটি টাকার জ্বালানি তেল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত অনশন অব্যাহত রাখবেন ইবতেদায়ী শিক্ষকরা

ভারতের জনগণ ফিলিস্তিনিদের পক্ষে : মাওলানা মাহমুদ মাদানী


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

<<জহিরুল ইসলাম>>

জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সভাপতি মাওলানা মাহমুদ আসআদ মাদানী ফিলিস্তিনে চলমান ইসরায়েলের ধ্বংসযজ্ঞের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং দ্রুতই এর অবসান ও সমাধানকল্পে বিশ্বনেতাদের, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ, ওয়ার্ল্ড মুসলিম লীগ প্রভৃতি আন্তর্জাতিক মহলকে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

মাওলানা মাদানী বলেন, ভারতের জনগণ ফিলিস্তিনিদের পক্ষে রয়েছে। বিগত পঁচাত্তর বছর ধরে তারা ইসরাইলি বর্বরতার নির্মম শিকার। নিজ দেশেই তারা পরদেশী শত্রুদের হাতে বন্দী। ফিলিস্তিনের মুসলিমগণ যত আন্দোলন-সংগ্রাম করছেন, সব তাদের জন্মভূমির স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও প্রথম কেবলা রক্ষার জন্যই।

মাওলানা মাদানী আরও বলেন, চলমান যুদ্ধের মূল কারণ হচ্ছে— ফিলিস্তিনে  ইসরাইলের অবৈধ ক্ষমতায়ন ও অনধিকারচর্চা। এই মুহূর্তে  জাতিসংঘের অপরিহার্য কর্তব্য হচ্ছে— নিরাপত্তা পরিষদের নীতি অনুযায়ী এই যুদ্ধের অবসান ঘটানো এবং ফিলিস্তিনকে ইসরায়েল থেকে মুক্ত- স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা দেয়া।

মাওলানা মাদানী ইসরায়েল-ফিলিস্তিনের যুদ্ধকে কেন্দ্র করে ভারতীয় মিডিয়ার মিথ্যাচার ও প্রোপাগান্ডার ব্যাপারে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যারা তাদের অধিকার রক্ষার জন্য লড়াই করছে, তাদেরকে সন্ত্রাস আখ্যা দেয়া কোনোভাবেই মেনে যায় না। ভারতের জাতীয় নেতৃবৃন্দ— মহাত্মা গান্ধী, পণ্ডিত নেহেরু এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী প্রমুখ সবসময়ই ফিলিস্তিনিদের অধিকার নিয়ে কথা বলতেন।

সুতরাং আমরা বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর কাছেও আশা করব যে, তিনি ইসরায়েল-ফিলিস্তিনের সঙ্কট নিরসনে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবেন এবং ইসরায়েলের পাশে না দাঁড়িয়ে ইনসাফের ওপর থাকবেন। নিরপরাধ ও নির্যাতিত মানুষদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে আপন ক্ষমতার সদ্ব্যবহার করবেন। এতেই আমাদের সবার কল্যাণ। আর এটাই আমাদের কর্তব্য।

সূত্র- দেওবন্দ টাইমস

কেএল/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ