রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬ ।। ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১২ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
হারামাইনের খুতবায় ঈমানের ওপর মৃত্যু ও তরুণ প্রজন্মের সুশিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজে খতমে নবুয়ত সম্মেলন ট্রাইব্যুনালে সাবেক দুই রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল গাজায় ৬০০ হাফেজকে সম্মাননা দিল আমিরাত চা শিল্পের বিকাশে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর কিয়ামতের দিন যে প্রশ্নগুলোর উত্তর সবাইকে দিতে হবে বঙ্গভবন ছাড়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ‘রক্তাক্ত জুলাই’ স্মরণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাধারণ আলেম সমাজের আলোচনা সভা কাল শুরু হচ্ছে হজের প্রাথমিক নিবন্ধন, চলবে দুই মাস রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল: স্পিকারের সাক্ষাৎ চাইবে ইসি

মিয়ানমারের গুরুত্বপূর্ণ বন্দর নগরী দখল আরাকান আর্মির

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ফাইল ছবি

মিয়ানমারের পশ্চিমে রাখাইন রাজ্যে গুরুত্বপূর্ণ বন্দর নগরী পাউকতাওয়ের পুরোপুরি দখলের দাবি করেছে দেশটির জাতিগত সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি। দেশটির জান্তা বাহিনীর সঙ্গে দুই মাসের বেশি সময় ধরে সংঘর্ষের পর শহরটি দখলে নেওয়ার দাবি করেছে তারা।

গতকাল বুধবার রাতে এ তথ্য জানিয়েছে দ্য আরাকান আর্মি।

মিয়ানমারের বিভিন্ন প্রান্তে জান্তা সরকারের সাথে লড়াই করছে সেখানকার বিদ্রোহী গোষ্ঠী। ইতোমধ্যে তারা বেশ কিছু অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। এরমধ্যে সর্বশেষ যুক্ত হয়েছে রাখাইনের বাণিজ্যিক বন্দর নগর পাউকতাও।
গত বছরের নভেম্বরে পাউকতাও শহর আংশিক দখলে নেয় আরাকান আর্মি। ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে যে যুদ্ধবিরতি হয়, এ ঘটনায় তা ভেঙে যায়। তবে ওই যুদ্ধবিরতিও খুব বেশি কার্যকর ছিল না।

শহরের বাসিন্দারা বলেছে, জান্তা সরকার নিয়মিত সেখানে গোলা ও নৌ হামলা চালাত। হেলিকপ্টার থেকেও শহরটিতে গুলিবর্ষণ করা হতো। 

নিউ গুগল আর্থের ছবিতে দেখা গেছে, পাউকতাও শহরের অনেক এলাকা বিধ্বস্ত। থানার বেশ কয়েকটি ভবনও বিধ্বস্ত অবস্থায় দেখা গেছে।

তবে আরাকান আর্মির দাবির সত্যতা যাচাই করতে পারেনি এএফপি। আরাকান আর্মির ঘনিষ্ঠ সূত্র এ সপ্তাহের শুরুতে এএফপিকে বলেছে, তারা শহরে অভিযান চালাচ্ছে।

উল্লেখ্য, মিয়ানমারে বিভিন্ন দিক থেকে জান্তাবিরোধী বিদ্রোহী গোষ্ঠী গণতন্ত্রপন্থী সরকারের সমর্থনে জান্তার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের কাছে অনেক শহর ও সামরিক স্থাপনা খুইয়েছে জান্তা। ২০২১ সালে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা জান্তার জন্য বিদ্রোহীদের কাছে নিয়ন্ত্রণ হারানোকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া।

এনএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ