শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ ।। ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৬ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী লাইসেন্স বাতিলের প্রতিবাদে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও রোগীর স্বজনদের বিক্ষোভ বিতর্কিত শিবমূর্তি অপসারণের দাবিতে রাজধানীতে খেলাফত আন্দোলনের বিক্ষোভ সাবেক এমপি বাহারের বক্তব্যের প্রতিবাদ, দেশে এনে বিচারের দাবি আলেমদের প্রস্তাবিত বাজেট ঋণনির্ভর ও উচ্চাভিলাসী: খেলাফত মজলিস আশাবাদে ভারাক্রান্ত সুলিখিত বাজেট, বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জ: ইসলামী আন্দোলন কুমিল্লা ও নগরকান্দায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রশিক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত হিল্লার নামে ‘পাতানো বিয়ে’ কবিরা গুনাহ: মাওলানা আজহারী বৃহৎ রামমূর্তি নির্মাণ নিয়ে উদ্বেগ, দ্রুত অপসারণ চান পীর সাহেব মধুপুর আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার চায় ইসলামী আন্দোলন

‘জয় শ্রী রাম’ না বলায় ইমামকে বেধড়ক পেটাল উগ্র হিন্দুরা!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ভারতের উত্তর প্রদেশের আলিগড়ে এক ইমামকে নৃশংসভাবে মারধরের অভিযোগ উঠেছে উগ্র হিন্দুদের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী ওই ইমাম অভিযোগ করেছেন, তাকে জোর করে ভিন্ন ধর্মীয় স্লোগান ‘জয় শ্রী রাম’ দিতে চাপ দেওয়া হয়েছিল।

রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম সিয়াসাত ডেইলি।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, উত্তরপ্রদেশের আলিগড় জেলার লোধা ব্লকের বুলাকঘারি গ্রামের এক স্থানীয় ইমামকে গত ২০ সেপ্টেম্বর নৃশংসভাবে মারধর করা হয়েছে। অভিযোগ করা হয়েছে, হামলাকারীরা তাকে জোর করে ‘জয় শ্রী রাম’ বলতে বাধ্য করার চেষ্টা করে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা যায়, ইমাম মুস্তাকিমকে দাড়ি রাখা ও টুপি পরার কারণে টার্গেট করা হয়। সে সময় তিনি সাইকেলে ছিলেন। 

পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে এবং আহত ইমামকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এ বিষয়ে আলিগড় শহরের পুলিশ সুপার মৃগাঙ্ক শেখর পাঠক বলেন, ‘তদন্তে দেখা গেছে, এটি সাধারণ মারধরের ঘটনা। এর সঙ্গে কোনো ধর্মীয় বিষয় জড়িত নয় এবং কাউকে জোর করে ধর্মীয় স্লোগান দিতেও বাধ্য করা হয়নি।’ তবে ভুক্তভোগী ইমাম অভিযোগ করেছেন, তাকে সরাসরি ধর্মীয় স্লোগান দিতে চাপ দেওয়া হয়েছিল। 

তিনি বলেন, কয়েক দিন ধরে কিছু ছেলে আমাকে বিরক্ত করছিল। ওইদিন তারা আমার সাইকেল থামিয়ে ‘জয় শ্রী রাম’ বলতে বলে।  আমি রাজি না হলে লাঠি দিয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে আমাকে পেটায়। তারা আমাকে উঠতে দেয়নি, বরং বলেছিল, ‘এখানেই তাকে কবর দিয়ে দাও’।

আগে তিনি এ ধরনের হয়রানির কথা পুলিশের কাছে জানাননি বলেও উল্লেখ করেন ইমাম। কারণ, ইস্যুটি বড় আকার ধারণ করবে ভেবে তিনি এড়িয়ে গিয়েছিলেন।

এমএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ