বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬ ।। ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৫ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
প্রাথমিক শিক্ষায় নাচ-গান ও নাটক অন্তর্ভুক্তির প্রতিবাদে মহিলা মজলিসের সমাবেশ ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল সেন্টার ফর জাকাত ম্যানেজমেন্টে দানে মিলবে কর ছাড় ভারতের পুশইন অপচেষ্টা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থি: খেলাফত মজলিস বাজেটে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য ‘সুখবর’ বিশ্বকাপ উন্মাদনা: আবেগের উল্লাসে আদর্শের বিসর্জন প্রস্তাবিত বাজেট: দাম কমবে ৬০ পণ্যের নতুন বাজেটে কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষায় বরাদ্দ ১৮,৪৫৯ কোটি টাকা ৭ দশকের প্রথা ভেঙে সৌদিতে ভারতের প্রথম অমুসলিম রাষ্ট্রদূত ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এভিয়েশন হাবে উন্নীত করার মহাপরিকল্পনা

‘আমি তোমাদের মায়ের বয়সী’ বলে কাঁদলেও ধর্ষণ থেকে রেহাই পাননি সুদানি নারী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সুদানের প্যারামিলিটারি আরএসএফের ভয়াবহতার চিত্র দিনে দিনে আরও ফুটে উঠছে। গত সপ্তাহে দেশটির দারফুর অঞ্চলের আল-ফাশার শহর দখলের সেখানে সব ধরনের নৃশংসতা চালিয়েছে তারা।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে এক নারী জানিয়েছেন, যখন আরএসএফ তার শহরে আসেন তখন নিজের ছেলেদের খুঁজতে বের হন তিনি। তখন তাকে একটি রুমে নিয়ে যায় আরএসএফের ফাইটাররা। তার ওপর ওই সময় যৌন নিপীড়ন চালায় তারা। নিপীড়ন থেকে বাঁচতে নিজেকে মায়ের বয়সী হিসেবে অভিহিত করেও রক্ষা পাননি তিনি। তার ওপর চালানো হয় পাশবিকতা।

বর্তমানে সুদানের উত্তরাঞ্চলের আল দাব্বাহ একটি শরণার্থী ক্যাম্পে আছেন তিনি।

নিরাপত্তার স্বার্থে নাম গোপন রাখা এ নারী বলেন, “আরএসএফ যখন সেনাবাহিনীর হেডকোয়ার্টার দখল করে আমি মেয়েদের ঘরে রেখে ছেলেদের খুঁজতে বাইরে বের হই। আরএসএফ আমাকে আটকে জিজ্ঞেস করে আমি কোথায় যাচ্ছি। আমি তাদের জানাই, আমার ছেলেদের খুঁজছি। তারা আমাকে জোর করে একটি বাড়িতে নিয়ে সেখানে যৌন নিপীড়ন শুরু করে। আমি তাদের বলি আমি তাদের মায়ের বয়সী। আমি শুধু কেঁদেছি।”

যে ছেলেদের খুঁজতে গিয়ে বেরিয়ে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। তাদের তিনি আর খুঁজে পাননি। ছেলেরা কোথায় আছে এখন পর্যন্ত তা জানেন না।

“নিপীড়নের পর তারা আমাকে যেতে দেয়। আমি তখন মেয়েদের নিয়ে পালিয়ে যাই। ছেলেদের সেখানেই রেখে এসেছি। তারা এখন কোথায় আছি আমি তা জানি না।”

“আরএসএফের বাধা পার হওয়া পর্যন্ত আমরা শুধু মরদেহ দেখেছি। এরপর এল-ফাশারের বাইরের একটি ছোট গ্রামে গিয়ে পৌঁছাই।”— বলেন এ নারী।

এল-ফাশারে হাজার হাজার মানুষকে হত্যার পাশাপাশি অনেক নারীকে তারা ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সূত্র: আলজাজিরা

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ