বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ।। ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৪ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
দেশে বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি: বাণিজ্যমন্ত্রী বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠলো ইরানের কেশম দ্বীপ আপনি গুলি করলে আমরা কি বসে থাকব: বিএসএফ-কে বিজিবি প্রাথমিকে সংগীত, নাট্যকলা, নৃত্যকলা, চারু ও কারুকলা অন্তর্ভুক্ত করছে সরকার প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী সারাদেশের সীমান্তে প্রতিবাদী সমাবেশ ও শাহবাগে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক ১১ দলের হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু আদ্-দ্বীনের শোকজের জবাবে সন্তুষ্ট নই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শুক্রবার ঢাকায় আসবেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক জুড়তে লেবাননের প্রতি হিজবুল্লাহর আহ্বান

শুভেন্দু ঘৃণার ‍ঊর্ধ্বে উঠে ইনসাফপূর্ণ আচরণ করবেন, আশা মাহমুদ মাদানীর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী যেন ধর্ম, বর্ণ ও রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সকল নাগরিকের প্রতি সমান আচরণ করেন—এ আহ্বান জানিয়েছেন ভারতের প্রভাবশালী ইসলামি সংগঠন জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সভাপতি ও বিশিষ্ট আলেম মাওলানা মাহমুদ মাদানী।

রোববার (১০ মে) ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে মাওলানা মাহমুদ মাদানী বলেন, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের সময় শুভেন্দু অধিকারী যে সাংবিধানিক অঙ্গীকার করেছেন, তা কেবল আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং এটি জনগণের প্রতি একটি আইনগত ও নৈতিক দায়বদ্ধতা। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন মুখ্যমন্ত্রী ভয়, পক্ষপাত, ভালোবাসা বা ঘৃণার ঊর্ধ্বে থেকে সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের প্রতি ইনসাফপূর্ণ আচরণ করবেন।

মাদানী বলেন, সংবিধান ও আইন অনুযায়ী ভয় বা পক্ষপাতিত্ব ছাড়া সকল নাগরিকের প্রতি ন্যায়বিচার করার যে শপথ নেওয়া হয়েছে, সেটির বাস্তব প্রতিফলন জনগণ দেখতে চায়।

সম্প্রতি শুভেন্দু অধিকারীর একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করেই এ প্রতিক্রিয়া জানান তিনি। পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী প্রকাশ্যে বলেছিলেন, ‘আমি শুধু হিন্দুদের জন্য কাজ করব।’ এ বক্তব্যকে ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ কাঠামো, সাংবিধানিক চেতনা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী বলে মন্তব্য করেন মাওলানা মাহমুদ মাদানী।

ভারতীয় মুসলিমদের অন্যতম এই অভিভাবক বলেন, রাষ্ট্রক্ষমতা কোনো নির্দিষ্ট ধর্ম বা রাজনৈতিক গোষ্ঠীর সম্পত্তি নয়। এটি পুরো জনগণের আমানত। এখানে হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টানসহ সব সম্প্রদায়ের সমান অধিকার রয়েছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বহুল আলোচিত স্লোগান ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ, সবকা বিশ্বাস’–এর প্রসঙ্গ টেনে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ধর্মীয় ভিত্তিতে বিভাজনের বক্তব্য কি এই স্লোগানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ? তিনি বলেন, সরকার যদি সত্যিই ‘সবকা বিশ্বাস’ অর্জন করতে চায়, তাহলে তাদের বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডে সাংবিধানিক নিরপেক্ষতা, সমতা এবং ন্যায়বিচারের প্রতিফলন থাকতে হবে।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ