সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬ ।। ১৫ চৈত্র ১৪৩২ ।। ১১ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
সংসদে সংস্কার পরিষদের অধিবেশন নিয়ে আলোচনা মঙ্গলবার মাকতাবাতুল ফাতাহর আয়োজনে বৃত্তি প্রদান ও মতবিনিময় সভা কাল জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতার মুলতবি প্রস্তাব ভালো নেই শহীদ মুগ্ধর বাবা, দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন স্নিগ্ধ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের ১১ নির্দেশনা নোয়াখালীতে মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে তরুণকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২ আমরা সংবিধান সংশোধনের জন্য নয়, সংস্কারের জন্য এসেছি: নাহিদ ইসলাম শিক্ষাখাত ইবাদতখানা, শিক্ষাদান সদকায়ে জারিয়া: শিক্ষামন্ত্রী 'স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আইনের ব্যাখ্যা না দিয়ে সন্ত্রাসীদের বিচারের দিকে নজর দেওয়া দরকার' হাজিরা দিতে গিয়ে কারাগারে আওয়ামী লীগের ১০ নেতাকর্মী

আফতাবনগর মসজিদ মাদরাসা কমপ্লেক্সে বরকতময় ইতেকাফ 

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

প্রতি বছরের মতো এবারও আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া ইদারাতুল উলুম আফতাবনগর মসজিদ মাদরাসা কমপ্লেক্সে ১০ দিনব্যাপী রমজানের সুন্নতে মোয়াক্কাদা ইতেকাফ চলছে। জানেশীনে ফিদায়ে মিল্লাত, আওলাদে রাসূল সাইয়েদ মাহমুদ মাদানীর খলিফা মুফতি মোহাস্মদ আলীর সোহবত ও তত্ত্বাবধানে এতে এবছর ৮৯ জন অংশগ্রহণ করেন। দিনব্যাপী বিভিন্ন আমল ও ব্যস্ততায় দিন কাটছে তাদের। 

ইতেকাফকারীদের সারাদিনের আমলের মধ্যে রয়েছে-
বাদ ফজর ফাজায়েলে আমল কিতাব থেকে রমজানসংক্রান্ত হাদিস পাঠ করা হয়।
বেলা ১১টা থেকে শুরু হয় ‘আকাবির কা তাকওয়া’ কিতাবের তালিম। আকাবিরে দেওবন্দের তাকওয়া ও বিনয়ের অনুপম ঘটনাবলি সবার সামনে পড়ে শোনানো হয়। 
এরপর দুপুর পৌনে বারোটা থেকে শুরু হয় কোরআনে কারিমের মশক। সবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এই সময়টুকুতে পুরো মসজিদ যেন নূরানী মক্তবে রূপান্তরিত হয়। 
বাদ জোহর কোরআনে কারিমের তাফসির ও ঈমান-আমল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বয়ান হয়।
আসরের পর থেকে শুরু হয় কোরআনে কারিমের দাওর। প্রতিদিনের তারাবিতে পঠিত পারা এ সময় হাফেজ সাহেবগণ সবার সামনে তেলাওয়াত করে শোনান। তেলাওয়াত শেষ হওয়ার পর হজরত পঠিত পারার সারসংক্ষেপ সবার সামনে আলোচনা করেন। ইফতারির আগ মুহূর্তে দোয়ায় মুখরিত হয় পুরো মসজিদ।

তারাবির পর শুরু হয় তাজকিয়ার মেহনত। মুফতি মোহাম্মদ আলী নিজে প্রথমে ইমদাদুস সুলূক কিতাব থেকে কিছুক্ষণ তালিম করেন। অতঃপর শুরু হয় ১২ তসবিহর জিকির। প্রত্যেকে পৃথকভাবে নিজ নিজ জায়গায় তাসাওফের ছবক আদায় মগ্ন হোন। এভাবে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ার পর সবাই কিছুক্ষণের জন্য বিশ্রাম গ্রহণ করেন। 

রাত একটা থেকে শুরু হয় কিয়ামুল লাইলের আমল। প্রতিদিন সাড়ে চার পারা করে রাত একটা থেকে চারটা পর্যন্ত মোট ১৮ রাকাত পড়া হয়। এরপর জিকির ও দোয়ার মাধ্যমে এই নূরানী মজলিস সমাপ্ত হয়। 

২৯ রমজান বৃহস্পতিবারে সবার কুরআনে কারিম ও নামাজের পঠিত দোয়াসমূহের ওপর একটি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। এতে ৮২ বছরের বৃদ্ধ ইতেকাফকারী থেকে শুরু করে বিভিন্ন পেশা ও বয়সের মুসল্লিগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। বাদ আসর ইতেকাফকারীগণের অভিব্যক্তি শোনা হয় এবং সকল পরীক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

 এমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ