রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৯ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৩ দিন পর সচল হলো বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বাকিতে বিক্রির সময় বেশি দাম রাখা কি বৈধ? থানা প্রতিনিধি সম্মেলন সফল করার আহ্বান বিকেএমের পার্কিংয়ে পড়ে থাকা গাড়ি সরাতে দারুল উলুম দেওবন্দের কড়া নির্দেশ মক্কা-মদিনায় হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার নিন্দা শায়খ সুদাইসের মাদরাসা প্রসঙ্গে ধর্মমন্ত্রীর বক্তব্যের ‘বিকৃতি’, প্রতিবাদ জানাল ধর্ম মন্ত্রণালয় মাদরাসায় শিশু নিপীড়ন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ চান শায়খ আহমাদুল্লাহ ঢাকা থেকে ফেরার পথে খুন বরুণা মাদরাসার শিক্ষক মালয়েশিয়ার কেলাংয়ে আমিরে মজলিসের সমাবেশ, নতুন কমিটি গঠন পাকিস্তান তাবলিগের প্রবীণ মুরব্বি মাওলানা হাবিবুল হকের ইন্তেকাল

বাকিতে বিক্রির সময় বেশি দাম রাখা কি বৈধ?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

|| মুহিউদ্দীন মাআয ||

বাকিতে কেনাকাটা করা আমাদের দেশের সাধারণ প্রচলিত রীতি। ক্রেতা-বিক্রেতার পারস্পরিক সম্পর্ক বা বিশেষ কোনো চুক্তিতে উভয়ের মাঝে এ লেনদেন হয়ে থাকে। তবে কখনও কখনও দেখা যায়, একটা পণ্য বাকিতে কেনার ক্ষেত্রে স্বাভাবিক মূল্যের চেয়ে কিছু বেশি নির্ধারণ করা হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে বিড়ম্বনায় পড়েন ধর্মপ্রাণ সাধারণ মানুষ। তাদের মাঝে সংশয় তৈরী হয়, এ অতিরিক্ত মূল্য সূদের অন্তর্ভুক্ত হবে কিনা? 

তারা জানতে চান, এ বিষয়ে শরিয়তের বিধান কী?

এ ক্ষেত্রে শরিয়তের বিধান হল, বাকিতে বিক্রয় করতে চাওয়া পণ্য যদি নির্ধারিত মূল্যের কিছুটা বেশি হয় সেটা জায়েজ আছে।

বিখ্যাত হাদীস গ্রন্থ তিরমিজি শরিফের ১২৩১ নম্বর হাদীস - بَيْعَتَيْنِ فِي بَيْعَةٍ -এর ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে। বিশেষজ্ঞ আলেমেরা বলেছেন- বিক্রেতা ক্রেতাকে বলল, এই কাপড়টি নগদ মূল্যে দশ দিরহাম এবং বাকীতে কিনতে চাইলে বিশ দিরহামে বিক্রি করলাম। এবং এই দুটি বিক্রয় প্রস্তাবের কোনোটাকে কেউই নাকচ করল না। অতপর কোন একটি প্রস্তাব যদি গ্রহণ করে নেয় এবং সে অনুযায়ী চুক্তি হয় তবে তাতে কোন সমস্যা নেই।

এছাড়া রদ্দুল মুহতার, ফাতাওয়া হিন্দিয়াসহ অসংখ্য ফিকহের কিতাবে এ ধরণের বিক্রয় চুক্তি জায়েজ আছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। 

তবে পণ্যটির অতিরিক্তসহ বর্তমান মূল্য ও তা পরিশোধের সময় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করার সতর্ক থাকতে হবে । এব্যাপারে কোনো অস্পষ্টতা রাখা যাবে না।

শিক্ষার্থী, তরুণ লেখক

এমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ